কলকাতা: বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা নিয়ে জটিলতা। তৃণমূলের থেকে বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের। চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ডেপুটি লিডার হিসেবে নাম রয়েছে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রর। মুখ্য সচেতক ফিরহাদ হাকিম। চিঠিতে মিটিং-এর তারিখের উল্লেখ নেই বলে বিধানসভা সূত্রে খবর। সেই সঙ্গে রেজলিউশনের কপিও নেই বলে দাবি। (Abhishek Banerjee)

Continues below advertisement

বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি সৌমেন্দ্রনাথ দাস জানিয়েছেন, বৈঠকের রেজলিউশনের কপি জমা দেওয়ার পরই সিদ্ধান্ত নেবেন অধ্যক্ষ। সৌমেন্দ্রনাথ বলেন, "তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। লেখা ছিল যে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে সর্বসম্মতিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামে সিলমোহর পড়েছে। ডেপুটি লিডার হয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্র। মুখ্য সচেতক ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু এই চিঠির সঙ্গে কোনও রেজলিউশন কপি জোড়া ছিল না। আগে সেটি দিতে বলা হয়েছে। স্পিকার তার পর সিদ্ধান্ত নেবেন।" (TMC News)

আরও পড়ুন: রাজ্য জুড়ে তল্লাশি অভিযান, ৬ জনকে গ্রেফতার করল STF, প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

Continues below advertisement

সৌমেন্দ্রনাথ জানিয়েছেন, চিঠিতে রেজলিউশন মিডিংয়ের কথা বলা হলেও, তারিখ নেই, কত জন সই করেছেন, কারা কারা সম্মতি দিয়েছেন, বুঝতে পারেননি স্পিকার। তাই চিঠির উপর নির্ভর করে কোনও সিদ্ধান্তগ্রহণ করতে পারেননি তিনি। যদিও তৃণমূলের দাবি, এতদিনের রীতি মেনেই অধ্যক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে অস্বাভাবিক মৃত্যু ভারতীয় কূটনীতিকের, দেহ উদ্ধার অ্যাসিস্ট্যান্ট হাই কমিশন থেকে

অন্য দিকে, বুধবার বিধানসভার বাইরে, আম্বেডকর মূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করেন তৃণমূল বিধায়করা। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের পাশাপাশি, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রতিবাদ জানান তাঁরা। হকার উচ্ছেদেরও প্রতিবাদ করেন। ওই অবস্থান বিক্ষোভ থেকে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, "আমাদের এই প্রতিবাদ সার্বিক ভাবে, যেভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে, নির্বাচন উত্তর সন্ত্রাসে তৃণমূল কর্মীদের ঘরছাড়া করা হয়েছে, দোকান লুঠ করা হয়েছে, ফিরতে দেওয়া হচ্ছে না পাড়ায়...নিরপেক্ষ হওয়ার বদলে পুলিশ দলদাসের ভূমিকা পালন করছে। পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ হাওড়া, শিয়ালদায়। এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা।"

তৃণমূলের কর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন কুণাল। তাঁর দাবি, বিনা কারণে কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। ২০২১ সালের মামলায় নতুন করে নাম যুক্ত করে...বহু কর্মী ঘরছাড়া। থানায় যাদের নামে কখনও অভিযোগ ছিল না, নতুন করে মামলায় যুক্ত করা হচ্ছে।