হিন্দোল দে, কলকাতা: শালবনি জমি জালিয়াতি মামলায় সিআইডির জালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। ধৃত সুমিতকে সঙ্গে নিয়েই মঙ্গলবার কালীঘাট রোডে তাঁর বাড়িতে জোরদার তল্লাশি চালাল তদন্তকারীরা। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সুমিতের মোবাইল ফোনও।
আরও পড়ুন, এরাজ্যে লাইসেন্স, ৫ জনই 'ভুয়ো' ডাক্তার, প্রমাণ মিলতেই রেজিস্ট্রেশন বাতিল, রইল নাম ও ঠিকানা
সুমিত রায়কে সঙ্গে নিয়ে, তাঁরই বাড়িতে CID. শালবনিতে কয়েকশো একর সরকারি জমির চরিত্র বদলে জাল নথি বানিয়ে, বিক্রির অভিযোগে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়কে। মঙ্গলবার তাঁকে নিয়ে ১১৯ নম্বর কালীঘাট রোডের বাড়িতে সটান পৌঁছে গেলেন সিআইডির আধিকারিকেরা। তাঁদের সঙ্গে ছিল কালীঘাট থানার পুলিশও। তদন্তে নেমে সিআইডি জানতে পারে, গ্রেফতারির সময় নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি সঙ্গে নেননি সুমিত। ফোনটি তিনি রেখে এসেছিলেন বাড়িতেই, তাঁর স্ত্রীর কাছে। এই খবর জানতে পেরেই সুমিতকে নিয়ে তল্লাশি চালায় তদন্তকারী দল। দীর্ঘ সময় ধরে ঘরের প্রতিটি কোণ তল্লাশি পর সুমিতের স্ত্রীর কাছ থেকে অবশেষে বাজেয়াপ্ত করা হয় সেই সুনির্দিষ্ট মোবাইল ফোনটি।মোবাইল বাজেয়াপ্ত করার পর পটুয়াপাড়ার বাড়ি থেকে সুমিতকে আবার সোজা নিয়ে যাওয়া হয় ভবানী ভবনে। সুমিত রায়। এক সময় অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ডান হাত। সেই সুমিতকে নিয়ে সিআইডির দৌড়ঝাঁপ শুরু হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
'ঋতব্রত-তৃণমূল'বিধায়ক ও কোষাধ্য়ক্ষ আখরুজ্জামান বলেন, CID নিয়ে গেছে, না সুমিত রায় নিয়ে গেছে দেখুন সেটা। কিন্তু সত্য় উদঘাটনের স্বার্থে সেখানে CID নিয়ে যাক আর সুমিত নিয়ে যাক এটার প্রয়োজন আছে। বাংলার মানুষ জানতে চায় এই যে যতগুলো দুর্নীতি এমন কত দুর্নীতি ওই বাড়ি থেকে হয়েছে বাংলার মানুষ জানতে চায়।' শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় সুমিতের ফোন-ই কি হতে চলেছে তদন্তের মাস্টারকি?
