কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে অবসরের পর রাজনীতিতে যোগ নতুন নয়। তবে কি তিনিও এই পথে হাঁটতে পারেন আগামী দিনে? এবিপি আনন্দে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে কলকাতা হাইকোর্টের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু জানালেন তেমনই কিছু কথা।               

Continues below advertisement

প্রশ্ন: সরাসরি একজন বিচারপতি যদি এই পদ থেকে রাজনীতিতে যোগদান করেন, তাহলে নানাবিধ প্রশ্ন উঠে আসে। বিচারপতির আসন থেকে সরাসরি রাজনীতি আসাকে আপনি নিজে কোন চোখে দেখেন? 

উত্তর: আমি কোনও সম্ভাবনাকেই আলাদা করে উপাদান দিতে চাই না। জনগণের নিজস্ব একটা ধারণা আছে। আমি আলাদা করে সেখানে কিছু সংযোজন করতে চাই না। আমি রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট সচেতন। বিচারপতিরা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট সচেতন। পলিটিকাল কেরিয়ার কথাটায় আপত্তি আছে। পলিটিক্স কারও কেরিয়ার হয় নাকি? কেরিয়ার হিসেবে পলিটিক্স করায় তীব্র আপত্তি। বাংলার শিশুদের সঠিক পথে নিয়ে যেতে পলিটিক্স করতে পারি'।                                            

Continues below advertisement

প্রশ্ন: দলীয় রাজনীতির ছাতা ছাড়া সার্বিকভাবে মানুষের জন্য কাজ কি করা যায় না?  

উত্তর: হতে পারে। এই পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে। দলীয় রাজনীতি করতে গেলে যে জায়গায় আপনাকে কম্প্রোমাইজ করতে হবে, সেই মেটিরিয়াল হতে না পারলে যাবেন না।                                      

প্রশ্ন: সেইরকম পরিস্থিতি বুঝলে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু কোনওদিন দলীয় রাজনীতি করতে পারেন?                              

উত্তর: যে দলীয় রাজনীতির পরিস্থিতি বদলের সম্ভাবনা নেই। রাজনীতিকদের বিষয়ে মানুষের যা ধারণা, আমিও একমত।'                   

প্রশ্ন: আগামী দিনে কি আবার বিচারপতি বসুকে আইনজীবীর গাউনটি পরতে দেখতে পাব?  

উত্তর: সেটাই আমার সবথেকে বেশি চেষ্টা। দিল্লিতে মামলা চালানোর ক্ষমতা বাংলার মানুষের নেই। আমার ইচ্ছে আছে যদি পারি সেখানে কন্ট্রিবিউট করব। ইচ্ছে আছে আইনজীবী হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার। আমি মনে করি কোর্ট আইনজীবীদের জন্য। কেউ যদি কিছু করতে পারে তা আইনজীবীরাই পারেন। দলীয় আইনজীবীদের কথা বলছি না। আইনজীবীদের শক্তি অসীম।'