Continues below advertisement

কলকাতা : হাইকোর্টের পর বৃহস্পতিবারও সুপ্রিমকোর্টেও ফের মান্যতা পেল ED-র বক্তব্য, IPAC-এর কর্ণধার প্রতীক জৈন এবং IPAC-এর অফিসে ED-র তল্লাশির নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে প্রথম থেকেই অভিযোগ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, এদিন সুপ্রিমকোর্ট তার পর্যবেক্ষণে বলে, যদি উপযুক্ত অনুমতি এবং নথি নিয়ে কেউ তদন্ত করতে যায় তাহলে প্রাথমিকভাবে তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার জায়গা থাকে না। কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা কোনও দলের নির্বাচনী কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারে না সেটা যেমন ঠিক, তেমনই কেন্দ্রীয় সংস্থা যদি সঠিকভাবে কাজ করে তাহলে রাজনৈতিক দল যুক্ত আছে বলে, তারা তদন্ত করতে পারবেন না তেমন নয়। সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণ কি রাজ্য সরকার এবং তৃণমূলের কাছে বড় ধাক্কা নয়? কী ভাবছে মানুষ? 

মানুষ কী ভাবছে, কী চাইছে

Continues below advertisement

মানুষ কী ভাবছে, কী চাইছে - সেইসব ভাবনার প্রতিফলন এখন পাওয়া যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাই খবরের শিরোনামে থাকা সাম্প্রতিক ইস্যুগুলি নিয়ে এবিপি আনন্দ জনতার মতামত জানতে চায়। ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, থ্রেড-এর মতো সোশাল মিডিয়ায় একাধিক প্রশ্নে  দর্শকরা উত্তর দেন। তাতে মানুষ কী ভাবছেন,  তার একটা আন্দাজ পাওয়ার চেষ্টা করে এবিপি আনন্দ। 

তেমনই কিছু গুরুত্ব প্রশ্ন রাখা হয়েছিল আই-প্যাকে ইডি তল্লাশি  ও সেই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের রায়ের বিষয়ে । তাতে মানুষ কী ভাবছে , তার একটা চিত্র উঠে এল। সাম্প্রতিক পাওয়া তথ্য অনুসারে এই সমীক্ষার ফল দেওয়া হয়। কত শতাংশ মানুষ , কোনদিকে ভোট দিলেন, তা দেখে নেওয়া যাক ।

পুলিশের FIR-এর ওপর স্থগিতাদেশ, ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ। সুপ্রিম কোর্টে প্রাথমিকভাবে জয় হল ED-র, বড় ধাক্কা পুলিশ ও সরকারের?

হ্য়াঁ  89 শতাংশ না  10 শতাংশবলতে পারব না  1 শতাংশ

আইপ্য়াককাণ্ডে কি CBI তদন্ত হওয়া উচিত?

হ্য়াঁ  77 শতাংশনা  20 শতাংশবলতে পারব না  3 শতাংশ  

বৃহস্পতিবার বারবার আবেদন সত্ত্বেও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা ফেরায়নি সুপ্রিম কোর্ট । পুলিশের দায়ের ৪টি FIR-এর ওপরই স্থগিতাদেশ জারি করল সর্বোচ্চ আদালত । যে দুই জায়গায় ইডি তল্লাশি চালিয়েছিল, সেখানে ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সব সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সব পক্ষকে নোটিস জারি করে ২ সপ্তাহের মধ্য়ে হলফনামা জমা দিতে বলা হল, হাইকোর্টে হট্টগোল নিয়েও কড়া অবস্থান নিল সর্বোচ্চ আদালত।