কলকাতা : নভেম্বর-ডিসেম্বরেই কলকাতা পুরসভার ভোটের চেষ্টা চলছে। জানিয়ে দিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, "আমরা সেইদিকেই এগোচ্ছি, যাতে ভোটটা হয় নভেম্বর-ডিসেম্বরে।" এর পাশাপাশি বেআইনি পার্কিং রুখতে পার্কিং ব্যবস্থা ঢেলে সাজছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Continues below advertisement

কলকাতা পুরভোট নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী

অগ্নিমিত্রা বলেন, "জনসংখ্যার একটা বিষয় রয়েছে। পরিষেবাটা যেন মানুষ পান। বিরাট একটা ওয়ার্ড, সেখানে মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন না। একটা ওয়ার্ডের সাইজ দুটো-তিনটে ওয়ার্ডের মতো। আবার একটা ওয়ার্ড রয়েছে খুবই ছোট। সেই কাউন্সিলর কিন্তু একই টাকা পান। একটা বড় ওয়ার্ডে যা টাকা পায়, ছোট ওয়ার্ডেও সেই টাকা পায়। সেটা তো হতে পারে না। বেহাল হয়ে পড়ছে। পুরভোটের পরে আবার সব হাল ফিরে আসবে। আমাদের দল জিতলে অবশ্যই আমরা কাজ করব। অন্য দিল জিতলে আমি বলতে পারব না, তারা কাজ করবে কি না। কারণ, তারা যেভাবে দায়িত্বজ্ঞানহীনতা দেখিয়েছে, ৪ তারিখে সরকার আসার পরেই যেভাবে ল্যাজ গুটিয়ে পালিয়ে গেল...তো বলার নেই। গণতন্ত্রের জন্যই হয়তো পালিয়েছে। আমরা সেদিকেই এগোচ্ছি যাতে ভোটটা হয় নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে।" 

Continues below advertisement

শহরে বেআইনি পার্কিং রুখতে কী ব্যবস্থা জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী...

তিনি বলেন, "প্রত্যেকটা পার্কিং...প্রায় ১৫ হাজার মতো পার্কিং কলকাতা পুলিশ আইডেন্টিফাই করেছে KMC-র আন্ডারে। এখনও অবধি ৯-১০ হাজার মতো লিস্টেড আছে KMC-র কাছে। বাকিগুলো আমাদের টিম বসে দেখব যে, কোন কোনগুলো লিস্টেড নয়। প্রত্যেকটিতে পার্কিংওয়ালা থাকবে উইথ কস্টিউম, তাঁর আইডি কার্ড...তাঁর ছবি থাকবে, শুধু আইডি কার্ড হলে হবে না। একটা অ্যাপ আমরা ডেভেলপ করছি। পুলিশকেই বলেছি অ্যাপটা ডেভেলপ করতে। ওটা দিয়েই আপনি পার্কিং দেবেন। মানে, ক্যাশ পেমেন্ট কোনও কিছু হবে না। সবকিছু খুব স্বচ্ছভাবে হবে। এবং ওখানে বোর্ড থাকবে। কোন গাড়ি এক ঘণ্টা বা দু'ঘণ্টায় কত নেবে সব লেখা থাকবে। প্রতিদিন আমাকে গিয়ে চেঁচাতে হচ্ছে যে, এখানে কেন রেখেছিস বা ফুটপাতে রাখবে না তোমরা...ফুটপাতে কেন রাখছেন ? আমি বুঝতে পারছি না ! আপনারা কেন ফুটপাতে রাখবেন ? পয়সা খরচ করে পার্কিংয়ে রাখুন। যেদিকে পার্কিং আছে, পুলিশকে জিজ্ঞাসা করে সেদিকে রাখুন। আপনি যদি ফুটপাতে গাড়ি বা বাইক রাখেন, আমি কিন্তু গিয়ে কলকাতা পুলিশকে দিয়ে ফাইন করব।"