কলকাতা: ভোটের মুখে ফের ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতির অভিযোগে সরব বিজেপি। রাজ্যে ১০০দিনের কাজে নজিরবিহীন দুর্নীতি হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের। এক সাক্ষাৎকারে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ''পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১০০ দিনের কাজ নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। পশ্চিমবঙ্গে ২৫ লক্ষ ভুয়ো জবকার্ড পাওয়া গেছে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, তত এই সংখ্যাটা বাড়ছে। এটা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার জন্য আইন বাস্তবায়িত হবে। এই সরকার ২টি জেলায় দুর্নীতির কথা স্বীকার করেছে।''
উল্লেখ্য, রাজ্যের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী কেন্দ্রের কাছে পাওনা ৫২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু কেন্দ্রের সুনির্দিষ্ট তথ্য অনুযায়ী রাজ্যে পাওনা ৩ হাজার ৮২ কোটি টাকা। জি-রামজি বিল কার্যকর হলে শ্রমিকের মজুরি আত্মসাৎ করা যাবে না। ১৪ দিনের মধ্যে প্রাপ্য টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে, এমনই দাবি করেছেন শমীক ভট্টাচার্য।
উল্লেখ্য, সোমবার পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চূড়ান্ত চার্জশিটে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে CBI সূত্রের আরও খবর, CBI-এর পেশ করা চার্জশিটে ৮টি পুরসভার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই পুরসভাগুলিরমধ্যেআছেউত্তর ও দক্ষিণদমদম, কামারহাটি, বরানগর, টিটাগড়, রানাঘাট, হালিশহর, বনগাঁপুরসভারনাম। এইপুরসভাগুলিতেকীভাবেবেনিয়মহয়েছিল, কারাকারাজড়িতছিল, সেইসমস্ততথ্যপেশকরাহয়েছে। ৮টি পুরসভায় ৬০০-রও বেশিবেআইনিভাবেচাকরিহয়েছেবলেদাবিCBI-এর। 'অয়ন শীলের সংস্থা এবিএসইনফোজোনপ্রাইভেট লিমিটেডকে কাজে লাগানো হয়েছিল।' গড় আড়াই বছর ধরে তদন্ত করে এমনই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এরপর আগামী ৭ তারিখে যখন এই মামলার শুনানি হবে তখন দেখার বিষয় হবে কোর্টের তরফে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং সিবিআই সেদিন কী বলে।
এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুঅধিকারী বলেছিলেন, "এই যে চার্জশিট। পুরসভানিয়োগ দুর্নীতি। শুধু একটা কামারহাটিপুরসভাতে ২০০ জনকে ঢুকিয়েছে, এরমধ্যে রয়েছে সুজিত বসুর দুই শ্যালিকা। অনেকেই ভাবছেন যে, সিবিআইয়ের চূড়ান্ত চার্জশিট মানে রিলিভড ? না, বন্ধু। মানিট্রেলহয়েছে তো ! ওয়েটঅ্যান্ডসি। ফিরহাদ হাকিম থেকে, সুজিত বসু থেকে রথীন ঘোষ থেকে দক্ষিণ দমদমেরভাইসচেয়ারম্যান নিতাই থেকে ছাড় কেউ পাবেন না। কামারহাটির গোপাল সাহা থেকে ব্যারাকপুরের উত্তম দাস। ১৭ জন চেয়ারম্যান। ছাড় পাওয়ার কোনও জায়গা নেই। বিজেপিকে আনুন, মে মাস থেকে চোরেদের ডুগডুগি বাজিয়েছেড়ে দেব।"
