মনের মানুষ পাওয়ার খিদে এখন মেটাচ্ছে এআই। আর সেই চাপে বাস্তব সম্পর্কগুলোই যাচ্ছে ফুরিয়ে। আরও , আরও বেশি করে বিবাহবিচ্ছেদের পথে এগোচ্ছেন দম্পতিরা। বলছে পরিসংখ্যান। ট্রেন্ড বলছে, গত কিছুদিন ধরে মানুষ এআই চ্যাটবটের প্রেমে পড়ছে। জাপানে তো এক মহিলা এআই চরিত্রের সঙ্গে বিয়েও করে ফেলে ছিলেন। তবে, এই আর্টিফিশিয়াল পার্টনারের সঙ্গে প্রেমের জন্য  নাকি ক্রমেই সঙ্কটের মুখে মানবিক সম্পর্কগুলো।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই সঙ্গীএর সঙ্গে মানসিক সংযুক্তি এবং ডেটা শেয়ারিং অভ্যাসের ফলে বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা বাড়ছে। 

Continues below advertisement

এআই-এর সঙ্গে সংযুক্তিকে অনেকে প্রতারণা মনে করেন

একটি সমীক্ষা অনুসারে, প্রায় ৬০ শতাংশ অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক মনে করেন যে এআই-এর সঙ্গে সম্পর্ক একটি প্রতারণা। তবে আইনজীবীরা বলছেন , বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনে অনেকেই অভিযোগ করছেন, তাদের সঙ্গীর সঙ্গে এআই পার্টনারের সম্পর্কের কথা। এআই-এর সঙ্গে তারা সবই শেয়ার করে। আইনজীবীরা বলছেন, এসব ক্ষেত্রে আবেদনকারীরা এআই সঙ্গীকে কেবল একটি সফ্টওয়্যার হিসাবে নয়, বরং সম্পর্কের মধ্যে 'তৃতীয় পক্ষ' হিসাবে দেখছে।  আইনি বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন যে এআই সঙ্গীর বিষয়ে শীঘ্রই আইনে বিধান আনার প্রয়োজন রয়েছে।

Continues below advertisement

এআই সঙ্গীর কারণে এই সমস্যাগুলো আসছে

এআই এজেন্ট এখন সহজলভ্য হয়ে উঠেছে এবং এর কারণে পারিবারিক সম্পর্কগুলি ভেঙে যাচ্ছে। একটি প্রতিবেদন অনুসারে, আইনজীবীরা জানিয়েছেন যে এখন বিবাহবিচ্ছেদের এমন ঘটনা সামনে আসছে যেখানে একজন সঙ্গী আর্টিফিশিয়াল পার্টনারের সঙ্গে বেশি মানসিকভাবে সংযুক্ত। এর প্রভাব অর্থনীতিতেও পড়ছে এবং মানুষ অভিযোগ করছে যে তাদের সঙ্গীরা সাবস্ক্রিপশনে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করছে। এছাড়াও তারা এআই-এর সঙ্গে সমস্ত তথ্য শেয়ার করার অভ্যাসের কারণেও বিরক্ত। আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এটি অসদাচরণের মধ্যে পড়ে এবং বিবাহবিচ্ছেদের জন্য প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করা যেতে পারে।