কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনার জুলাই মাসের কিস্তি অনেক উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করেছে। তবে এখনও বহু আবেদনকারী জানতে চাইছেন, তাঁদের আবেদন অনুমোদিত হয়েছে কি না বা জুলাই মাসের টাকা অ্যাকাউন্টে এসেছে কি না।

Continues below advertisement

অন্নপূর্ণা যোজনায় এখনও পর্যন্ত আবেদনকারী ১ কোটি ৬০ লক্ষ। বাদ গিয়েছে ২৬ লক্ষ আবেদনকারীর নাম! জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেনদু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকল ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা। 

অনেকেই এই প্রকল্পের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন, আবার বহু মানুষ অফলাইনে বিভিন্ন ক্যাম্পে গিয়ে ফর্ম জমা দিয়েছেন। এখন সবার মনে একটাই প্রশ্ন- আমি কি টাকা পাব? বা, আমার অফলাইন ফর্মটি কি আদৌ অনলাইনে এন্ট্রি হয়েছে?              

Continues below advertisement

আজ থেকে রাজ্য়ে মহিলাদের অ্য়াকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়া শুরু করছে রাজ্য সরকার। প্রশাসন সূত্রে দাবি, ইতিমধ্যেই ১ কোটি ৬০ লক্ষ মহিলা আবেদন করেছেন, তাঁদের মধ্যে ১ কোটি ৯ লক্ষ ৫২ হাজার ৩৭৮ জন মহিলার আধার লিঙ্ক করায় তাঁদের অ্য়াকাউন্টে আজ টাকা পাঠানো হবে। অন্য়দিকে, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এই সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 

কী কী কারণে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম রিজেক্ট হতে পারে?

আপনার আবেদনটি ব্লক এবং ডিস্ট্রিক্ট লেভেলে ভেরিফাই করা হবে। যেসব কারণে ফর্ম বাতিল হতে পারে- ভুল আধার নম্বর বা ভোটার কার্ড (EPIC) নম্বর দিলে সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে, ভোটার কার্ডটি ভ্যালিড কিনা বা ট্রাইব্যুনালে কোনও কেস আছে কিনা, তা কঠোরভাবে চেক করা হবে।

যদি আপনার আয় এমন হয় যে আপনাকে ইনকাম ট্যাক্স বা আয়কর দিতে হয়, তবে আপনি এই সুবিধা পাবেন না। আপনি প্যান কার্ড নম্বর লুকোলেও আধার লিঙ্কের মাধ্যমে তা ধরা পড়ে যাবে।

সরকারি কর্মচারী বা সরকারি পেনশনভোগীরা এই প্রকল্পের ৩০০০ টাকা পাওয়ার যোগ্য নন। তথ্য গোপন করলেও তা ভেরিফিকেশনে বাতিল হবে।

অনেকেরই ধারণা, বিডিও বা পঞ্চায়েত অফিসে বস্তা বস্তা ফর্ম পড়ে আছে, সেগুলো হয়তো এন্ট্রিই হবে না। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। এর আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা কৃষক বন্ধুর মতো বড় প্রকল্পগুলোর কাজও অফলাইনেই শুরু হয়েছিল এবং সবাই টাকা পেয়েছেন।