সকান্ত মুখোপাধ্যায়, দমদম : দমদমের বেদিয়াপাড়ায় যুবককে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার ঘটনায় গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত। মূল অভিযুক্ত সুশান্ত দাসকে নৈহাটি থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এখনও অধরা আরও ২ অভিযুক্ত। তাদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। গত ২৪ অক্টোবর গায়ে পেট্রোল ঢেলে যুবককে খুনের চেষ্টা। এই ঘটনায় সুশান্ত দাস-সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনার পর থেকেই ফেরার ছিল মূল অভিযুক্ত সুশান্ত দাস। জানা গিয়েছে, সুশান্ত দাস স্থানীয় কাউন্সিলর মৃন্ময় দাসের অনুগামী। এই গোটা ঘটনাকে খেলার ছলে ঘটনা বলে দাবি করেন কাউন্সিলর মৃন্ময় দাস।
অভিযুক্ত তিনজনই দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামী। আগুনে পুড়িয়ে মারা চেষ্টা করা হয়েছিল রঞ্জিত কর্মকারকে। তাঁর পরিবারের লোকজন আগে থেকেই অভিযোগ করেছিল যে অভিযুক্ত যুবকরা স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর মৃন্ময় দাসের অনুগামী। ঘটনার দিন কালীপুজোর বিসর্জন সেরে বাড়ি ফিরছিলেন রঞ্জিত। ঠিক বাড়িতে ঢোকার মুখে ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ রঞ্জিতের গায়ে পেট্রোল ঢেলে তাঁকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেন তিন যুবক। এমনই অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন অভিযুক্তরা। অন্যদিকে। তৃণমূল কাউন্সিলর বলেন, পুরোটাই নাকি মশকরা করে করা হয়েছে।
এ হেন ঘটনার পর আক্রান্তের পরিবারের তরফে নাগেরবাজার থানার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে নৈহাটি থেকে মূল অভিযুক্ত সুশান্ত দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আরও ২ জন এখন অধরা। তাদের মধ্যে একজনের নাম সাগর। আরেকজনের নাম সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে বাবান। আপাতত সুশান্তকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ। তার মাধ্যমেই পলাতক ২ জনের খোঁজ মিলবে বলে অনুমান পুলিশের। কেন রঞ্জিতের গায়ে পেট্রোল ঢেলে তাঁকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা হয়েছিল? ব্যক্তিগত শত্রুতা নাকি নিছক মশকরা - খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই তিন অভিযুক্ত যে তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামী, সেই মৃন্ময় দাস বারংবার বলেছেন গোটা ব্যাপারটা হয়েছে মজার ছলে। যদি ইচ্ছাকৃত কিছু কেউ করে থাকে, তাহলে পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে বলে আস্থা রয়েছে তাঁর।
অন্যদিকে সোনারপুরের রাজপুরে ঘটেছে ভয়াবহ ঘটনা
এক কাস্টমস অফিসারের ফ্ল্যাটে ঢুকে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। প্রায় ২০০ লোক ওই কেন্দ্রীয় আধিকারিকের আবাসনে চড়াও হয়। ঘটনার সূত্রপাত গাড়ি ওভারটেক করা নিয়ে। আক্রান্তের দাবি, তিনি যখন আবাসনে ঢুকছিলেন তখন একটি অটো এসে তাঁর গাড়িতে ধাক্কা মারে। অটোচালকের সঙ্গে বচসা হয় তাঁর। পরে দলবল নিয়ে ওই অটোচালক তাঁর ফ্ল্যাটে হানা দেয়। তাঁকে মারধর করার পাশাপাশি ফ্ল্যাট জুড়ে তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীর দল।