তুহিন অধিকারী, বাঁকুড়া : যাক ! দুশ্চিন্তা কাটল। সোমবার থেকে চড়াছিল উত্তেজনার পারদ। দামোদরের বালির মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় বিশালাকার মর্টার শেল । মঙ্গলবার এই নিয়ে হুলুস্থুল পড়ে যায় বাঁকুড়ার সোনামুখীতে । কোথা থেকে এল এই মর্টার ? এমন বিস্ফোরক ঠাসা মর্টার দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায়। আতঙ্কে শুরু হল ছোটাছুটি। কেউ কেউ আবার উৎসাহ বশে ভিড় জমালেন। কেউ আবার বললেন, না না... এ তো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার যুদ্ধাস্ত্র ! পাছে বিপদ-আপদ ঘটে এলাকা ঘিরে দেয় পুলিশ। এরপর ছুটে আসে সেনাবাহিনী।
দামোদরের চরে পাওয়া মর্টার শেলগুলিকে নিস্ক্রিয় করে সেনাবাহিনী। দামোদরের গর্ভ থেকে বালি তোলার সময় পরপর ৩ টি বিশালাকার মর্টার শেল উদ্ধার হয়। এরপর বাঁকুড়া জেলা পুলিশের তরফে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বুধবার সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। যুদ্ধের সরঞ্জামগুলি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিস্ক্রিয় করে দেওয়া হয়।
দামোদর নদের চড় থেকে বালি তোলার সময় বালির স্তর থেকে উঠে আসে ৩ টি বিশালাকার মর্টার শেল। যেন বিশালাকার লোহার সিলিন্ডার ! খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সোনামুখী থানার পুলিশ, রাজ্যের বম্ব ডিজপোসাল টিম । দুর্ঘটনার আশঙ্কায় মর্টারগুলিকে নদীর চরে বালির বস্তা দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়। পানাগড়ের সেনা ছাউনি থেকে বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গভীর গর্ত করে মর্টারগুলিকে রেখে ডিনামাইটের সাহায্যে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।