তুহিন অধিকারী, বাঁকুড়া: পথ কুকুরকে মারধরের প্রতিবাদ করায় দুই ভাইকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ। বাঁকুড়ার (Bankura News) এই ঘটনায় মৃত এক আহত এক। অভিযুক্ত দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

মারধরের অভিযোগ: বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ড কৃষ্ণগঞ্জ গড়গড়ান পাড়ার বাসিন্দা দুই ভাই সুদিন পাল ও অমিতাভ পাল। দুই ভাই পশুপ্রেমী। প্রতিদিন দুপুর ও রাতে বাড়ির পাশে বেশ কিছু কুকুরকে তারা খেতে দেয়। অভিযোগ একই পাড়ার ২ যুবক প্রতিদিন রাতে মত্ত অবস্থায় কুকুরদের মারধর করে। গতকাল এলাকায় গাজন উৎসব ছিল। গাজন থেকে বাড়ি ফিরছিলেন অমিতাভ পাল ও তাঁর পরিবার। এসে দেখেন বাড়ির সামনে পাড়ারই দুটি যুবক কুকুরদের বেধড়ক মারধর করছে। ঘটনার প্রতিবাদ করলে প্রথমে লাঠি দিয়ে অমিতাভ পালকে মারধর করে অভিযুক্তরা। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে অমিতাভ পালের বড়দা সুদিন পাল। ‌কুকুরকে মারধরের প্রতিবাদ শুরু করেন সুদিন পাল। ‌এদিকে অমিতাভ পাল বিষ্ণুপুর থানায় যান অভিযোগ জানাতে। অভিযোগ সেই সুযোগে সুদিন পালকে একা পেয়ে অভিযুক্ত দুই যুবক পাশে থাকা ইট দিয়ে সজোরে আঘাত করতে থাকে। ঘটনায় অচৈতন্য অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন ৫০ বছর বয়সী সুদিন পাল। থানা থেকে বাড়ি ফিরে এসে ছোট ভাই অমিতাভ পাল দেখে বাড়ির সামনে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে তাঁর দাদা। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যান বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এরপরেই বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ অভিযুক্ত দুই যুবককে আটক করেছে। ঘটনায় সুদিন পালের পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছেন।

এদিকে গতকাল স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার করা হল স্বামীকে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা জেলার চাঁচল থানার অন্তর্গত ভাকরী গ্রাম পঞ্চায়েতের রামপুর গ্রামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে চাঁচল থানার পুলিশ। মৃতার স্বামী নওয়াজ শরীফকে আটক করে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃতার নাম নাজিদা পারভিন বয়স (২৬)। প্রায় ১০ বছর আগে প্রেম করে বিয়ে হয় গ্রামেরই এক যুবক নওয়াজ শরিফের সঙ্গে। তাঁদের দুই পুত্র সন্তানও রয়েছে। প্রতিবেশীদের দাবি, বিয়ের পর থেকে মাঝে মধ্যে পারিবারিক অশান্তি লেগেই থাকত। মৃত গৃহবধুর বাবা নুরুল ইসলাম বলেন, "গ্রামেই মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলাম। রাতে জামাই ও মেয়ে একসঙ্গে বাড়ি থেকে খেয়ে নিজের বাড়িতে গিয়েছিল। তারপর সবাই ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। গভীর রাতে শুনতে পেলাম যে মেয়ে মারা গেছে। আমি গিয়ে দেখি গলায় দাগ আছে। জামাই খুন করেছে।''