আবির দত্ত, কলকাতা : নিষিদ্ধ ক্রিপ্টো কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে চলত তথ্য আদান-প্রদান, হামিমকে জেরায় চাঞ্চল্যকর তথ্য বেঙ্গল STF-এর। ব্যবহার করা হত এলিমেন্ট X-এর মতো এনক্রিপটেড চ্যাটিং অ্যাপ। নজরদারি এড়াতেই এনক্রিপটেড ক্রিপ্টো কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে যোগাযোগ। ২০২৩-এ জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে একগুচ্ছ মেসেজিং অ্যাপ ব্যান করে কেন্দ্র। সেই তালিকায় ছিল এলিমেন্ট X. এই অ্যাপ ব্যবহারকারীর একটি ইউনিক ইউজার আইডি থাকে। শাহজাদ ভাট্টি গ্যাংয়ের সদস্যরা অ্যাপে 333 ইউজার আইডি ব্যবহার করত। এই 333 শাহজাদ এর টিকটক ইউজার নেম থেকে নেওয়া, দাবি STF-এর। 

Continues below advertisement

ব্যান হওয়া ক্রিপ্টো কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই চলত তথ্য আদান-প্রদান। ব্যবহার করা হত এলিমেন্ট X এর মতো এনক্রিপটেড চ্যাটিং অ্যাপ। তদন্তে নেমে এমনই তথ্য জানতে পারল বেঙ্গল STF. নজরদারি এড়াতেই এই ধরনের এনক্রিপটেড ক্রিপ্টো কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ককে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি STF-এর। 

'রক্ত নিয়ে কারবার', ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির জন্য কড়া নির্দেশ স্বাস্থ্যভবনের, কী বার্তা দেওয়া হল ? 

Continues below advertisement

২০২৩ সালে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে একগুচ্ছ মেসেজিং অ্যাপ ব্যান করে ভারত সরকার। সেই তালিকায় ছিল এই এলিমেন্ট X অ্যাপ। প্রত্যেক ব্যবহারকারীর একটি ইউনিক ইউজার আইডি থাকে এই অ্যাপে। 'এলিমেন্ট' অ্যাপ ব্যবহারকারীদের মধ্যে শাহজাদ ভাট্টির গ্যাং এর সঙ্গে যারা যুক্ত, তারা প্রত্যেকে তাদের একটি বিশেষ ইউজার '333' ব্যবহার করত। এই '333' আদতে শাহজাদ এর টিকটক ইউজার নেম থেকে নেওয়া। STF সূত্রে দাবি, হামিমের ইউজার নেম ছিল - unknowngunman333:matrix.org এর পাশাপাশি তদন্তকারীদের আরও দাবি, হামিম যাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতো, তাদের বেশিরভাগের ইউজারনেম-এ এই '333'-এর উল্লেখ পাওয়া গেছে। 

ফেক অ্যাকাউন্ট বানিয়ে কথা, তারপরই ভিক্টিমের বিশ্বাস-ভরসা অর্জন করে অপহরণের ষড়যন্ত্র! রাজ্য পুলিশের STF সূত্রে খবর, ঠিক এভাবেই চলত হামিম-অর্পিতার 'হানিট্র্যাপ' পরিকল্পনা। বর্ধমানের জিম থেকে হামিমের গ্রেফতারির পরে ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে তাঁর বান্ধবী অর্পিতা সরকার। তদন্তকারীদের আতসকাচের তলায় এসেছে ধৃত হামিমের সঙ্গে তাঁর বান্ধবীর চ্যাট। 

STF সূত্রে খবর, সেই চ্যাটেই দেখা যাচ্ছে, বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে মেসেজ করে হামিম জানাচ্ছে, 'সাহাজাদ ভাট্টি' গ্যাং অস্ত্র পাঠাবে বলে সম্মতি জানিয়েছে। নজর এড়াতে 'ডিসকর্ড' অ্যাপে কথা বলতে বলে হামিম। এমনকী 'হানিট্র্যাপ'-এর জন্য ফেক অ্য়াকাউন্ট বানিয়েছিল অর্পিতা। সেখানেই প্রথমে ভিক্টিমের বিশ্বাস-ভরসা অর্জন করত অর্পিতা। তারপরই অপহরণ করে ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করা হত। ইতিমধ্যেই ধৃত অর্পিতার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে যেখানে দুটি সিমকার্ড ছিল।