কলকাতা : বারুইপুরকাণ্ডে এনকাউন্টার ! পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল ধৃত এক অভিযুক্তের । নাম প্রভাস মণ্ডল। পুলিশ সূত্রে খবর, পুলিশি এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে নাবালিকা নির্যাতন-খুনে ধৃত প্রভাস মণ্ডলের । ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস, দাবি করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপি নেতা ও দলের মুখ্য মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার।
দেবজিৎ সরকার লেখেন , 'বারুইপুরে ১২ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যাকারী পিশাচ প্রভাস মণ্ডল মঙ্গলবার ভোররাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এ এক ঐশ্বরিক বিচার! '
বারুইপুরে নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় তিন জনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারপর আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বারুইপুর থানার স্পেশাল অপারেশন টিম এবং STF-এর যৌথ অভিযানে বসিরহাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে কবীর মোল্লাকে। পুলিশ সূত্রে খবর, গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই নিয়ে বারুইপুরকাণ্ডে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হয় ৪ । এরই মধ্যে এনকাউন্টারে মারা যায় প্রভাস মণ্ডল।
পুলিশ সূত্রে খবর, বারুইপুরে নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনার পর থেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছিল কবীর মোল্লা। তার খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে আগে গ্রেফতার হওয়া তিন অভিযুক্তকে জেরা করে কবীরের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে আসে পুলিশের। সেই সূত্র ধরেই কবীর মোল্লার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন তদন্তকারীরা। এরপর বারুইপুর থানার স্পেশাল অপারেশন টিম এবং STF যৌথভাবে অভিযান চালায়। গভীর রাতে বসিরহাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, ঘটনার পর থেকেই গা-ঢাকা দিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছিল কবীর। তদন্তকারীদের নজর এড়ানোর চেষ্টা করলেও শেষরক্ষা হয়নি। অবশেষে বসিরহাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কবীর মোল্লাকে গ্রেফতারের পর এবার তাকে জেরা করে ঘটনার আরও তথ্য জানার চেষ্টা করবে তদন্তকারীরা। নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় তার ঠিক কী ভূমিকা ছিল, ঘটনার সময় সে কোথায় ছিল এবং ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। ধৃতদের জেরা করে ঘটনার গোটা সূত্র এবং আরও কারও যোগ রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
