কলকাতা: শেষ পর্যন্ত কি সম্ভাবনাই সত্যি হতে চলেছে? ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হুমায়ুন-সেলিম 'জোট' বৈঠক। নিউটাউনের ওয়েস্ট ইন হোটেলে হুমায়ুন-সেলিম বৈঠক। নিউটাউনের হোটেলে হুমায়ুন-সেলিমের ১ ঘণ্টা বৈঠক। মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা হুমায়ুন কবীরের। রাত ৮.৩০ থেকে বৈঠক শুরু হয়। যা চলে প্রায় ৯.৪০ পর্যন্ত। ১ ঘণ্টা ১০ মিনিটের বৈঠক শেষে বাংলার রাজনীতিতে কি নতুন কিছু দেখতে পাওয়া যাবে? হুমায়ুনের জনতা উন্নয়ন পার্টির সঙ্গে কি এবার সিপিএমের জোট হতে চলেছে?

Continues below advertisement

যদিও বৈঠক শেষে বেরিয়ে 'জোট' জল্পনাকে উড়িয়ে দিলেও সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলছেন 'মন বোঝা হল'। এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ''জোট নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। কী করতে চাইছেন, কী করবেন, তা জানতে চাইলাম। আসন সমঝোতা নিয়ে কথা হল। নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করেছেন। তাঁর লক্ষ্য কী? তিনি কী চান, তাঁর উদ্দেশ্য় কী, এগুলো তো বুঝতে হয়। জোট ওভাবে হয় না। আমাদের তো বামফ্রন্ট আছে। প্রস্তাব হচ্ছে আসল সমঝোতার। আমরা বামপন্থীরা নিজেরা আলোচনা করে নেব। আমরা আইএসএফের সঙ্গেও কথা বলা হবে। আমাদের আলোচনা তো আলিমুদ্দিনের টেবিলে হবে। এখানে নয়। আজ শুধু মন বোঝা হল।''

এই ইস্যুতে কুণাল ঘোষ বলেন, ''দেখুন অন্য যে দলগুলো যারা বাংলায় কার্যত অপ্রাসঙ্গিক। জনগনের সমর্থন যাঁদের সঙ্গে নেই, তারা কার সঙ্গে কারা বসছেন। বিজেপির অতি ব্যবহার করা কোন হোটেলে গিয়ে উঠছে, তাঁদের চায়ের বিলটাও বিজেপি দিয়েছে কি না, তার খোঁজ নিতে হবে। হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। কিন্তু মহম্মদ সেলিম পুরো দেউলিয়া রাজনৈতিক ভিক্ষুকের মত ব্যবহার করছে। যাঁরা ৩৪ বছর রাজ্য শাসন করেছে, তাঁদের ২৯৪ টি আসনে লড়ার  ক্ষমতা নেই? কখনও কংগ্রেসকে বলছে আপনারা আসুন, কখন এর কাছে, কখনও ওর কাছে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুরো রাজনৈতিক ভিক্ষুক, যাঁদের অস্তিত্ব নেই কােনও। ভিক্ষার ঝুলি হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাঁরা।''

Continues below advertisement

 

তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক আরও বলছেন, ''ওয়েস্টিন হোটেলে কারা ওঠে, তা সবাই জানে। সিপিএমকে তাঁদের অস্তিত্ব রক্ষায় নাকি মন বুঝতে গিয়েছে। মন বুঝতে আইএসএফএর কাছে যেতে হচ্ছে? বিধাসভায় শূন্য, লোকসভায় শূন্য এবার রাজ্যসভায়ও শূন্য হবে ওরা ২ মাস বাদে। কিন্তু রাজনৈতিকভাবেও কি শূন্য?''