মুর্শিদাবাদ: বেলডাঙায় অশান্তির তদন্তে ই-মেল করে মুর্শিদাবাদ পুলিশের কাছে CD চাইল NIA। সূত্রের খবর, পুলিশের তরফে NIA-র কাছে এখনও ই-মেলের কোনও জবাব আসেনি। বেলডাঙাকাণ্ডে মুর্শিদাবাদের SP ও IO-র ভূমিকায় আগে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশেষ NIA আদালত।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, 'বাংলার যুব সাথী' প্রকল্পে রেজিস্ট্রেশনের জন্য তৃণমূলের সহায়তা শিবিরে বিজেপি যুব মোর্চার সদস্যরা!

Continues below advertisement

'সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের নির্দেশে কোথাও কি বলা আছে, কেস ডায়েরি দেওয়া যাবে না? তদন্ত শুরু করার পর, কেস ডায়েরি না দেওয়া তদন্ত নষ্ট করার সমান'। পুলিশের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে এমনই মন্তব্য় করেছিলেন NIA-র স্পেশাল কোর্টের বিচারক। ওই দিনই তিনি নির্দেশ দেন, ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে NIA-কে কেস ডায়েরি দিতে হবে। আর এ নিয়ে রিপোর্ট দিতে হবে মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার ও তদন্তকারী অফিসারকে। বেলডাঙাকাণ্ডে ধৃত ৩৬ জনের মধ্যে ৩১ জনের আজ ফের আদালতে হাজিরার কথা। 

বেলডাঙাকাণ্ডে পুলিশ সুপার ও তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ এনআইএ-র বিশেষ আদালত। ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে NIA-কে কেস ডায়রি দিতে এবং, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার ও তদন্তকারী অফিসারকে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার অশান্তিতে, NIA তদন্ত সংক্রান্ত মামলায় পুলিশের ভূমিকায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ বিশেষ NIA আদালত। কোথাও কি বলা হয়েছে, কেস ডায়েরি দেওয়া যাবে না? সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের নির্দেশে কি বলা আছে? তদন্ত শুরু করার পর, কেস ডায়েরি না দেওয়ার বিষয়টা তদন্ত নষ্ট করার সমান। পুলিশের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে এমনই মন্তব্য় করলেন NIA-র স্পেশাল কোর্টের বিচারক। পাশাপাশি, বিচারকের নির্দেশ, ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে NIA-কে কেস ডায়রি দিতে হবে। আর রিপোর্ট দেবেন মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার ও তদন্তকারী অফিসার। গত মঙ্গলবার শুনানিতে, পুলিশের বিরুদ্ধে অসহগিতার অভিযোগ তোলে কেন্দ্রীয় এজেন্সি NIA। পাল্টা সরকারি আইনজীবী দাবি করেন, বেলডাঙাকাণ্ডে UAPA ধারা দেওয়া হবে, NIA তা আগে থেকে ঠিক করে এসেছিল। ১৬ জানুয়ারি, ঝাড়খণ্ডে এক বাঙালি শ্রমিকের রহস্য়মৃত্য়ুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২দিন ধরে বেলাগাম তাণ্ডব চলে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায়।   ৩১ জানুয়ারি এই ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি NIA.সেই NIA তদন্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। কিন্তু, বেলডাঙার অশান্তিতে UAPA যুক্ত করার কারণ নিয়ে, NIA-কে কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে মামলা হাইকোর্টে ফিরিয়ে দেয় সর্বোচ্চ আদালত।