কলকাতা: তৃতীয় তৃণমূল সরকারের আজ অন্তবর্তী বাজেট পেশের আগে, আজকে বিধানসভায় উত্তেজনা তৈরি হয়। যেখানে সাড়ে চার মিনিট ভাষণ দিয়ে কক্ষত্যাগ করেন রাজ্যপাল। রাজ্য বাজেটের দিনে শুভেন্দুর মুখে ফিরল "লক্ষ্মীর ভাণ্ডার" প্রসঙ্গ ! কী বললেন বিরোধী দলনেতা ?

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, "চাইলে... ", কমিশনের দফতর থেকে বেরিয়ে, SIR নিয়ে বড় বার্তা মমতার

Continues below advertisement

এদিন শুভেন্দু বলেন, 'আজকে যে ভোট অন অ্যাকাউন্ট, এটা বাজেট নয়। এই ভোট অন অ্যাকাউন্টে দায়বদ্ধতা, বর্তমান সরকারের নেই। আগামী দিনে যে সরকার আসবে, সেই সরকারেরই দায়বদ্ধতা থাকবে। নতুন সরকার আসার পরে, পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে। এবং এই ভোট অন অ্যাকাউন্ট-এ যেটা থাকবে, কোনওটাই কার্যকর করা যাবে না। .. এই বাজেটে থাকছে, সিভিক ভলেন্টিয়ার, আশাকর্মীদের..সামান্য কিছু বৃদ্ধি। যেটা তাঁদের দাবি এবং সংসার চালানোর পক্ষে মানানসই নয়। লক্ষ্মীর ভান্ডারে কয়েশো টাকা বাড়ানোর একটা প্রতিশ্রুতি থাকবে।কার্যত সেটাও এই সরকার করতে পারবে না।'আগামীদিনে যে সরকার আসবে বিজেপি সরকার, তাঁদেরকেই কার্যকর করতে হবে। সেটাই কার্যকর হবে।'

প্রসঙ্গত,অনুপ্রবেশ থেকে SIR,আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ড থেকে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্য়ান... একাধিক ইস্য়ুতে বিধানসভায় মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সঙ্গে কার্যত বাগযুদ্ধ বাধল শুভেন্দু অধিকারীর। আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ, একে অপরকে নিশানা করল ২ পক্ষই। বাজেট পেশের আগে বিধানসভায় বাগযুদ্ধ! মুখ্য়মন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতার বাজেট পেশের আগে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, বিরোধীরা ভাল থাকুন,  সুস্থ থাকুন। কিন্তু, ২০২৬-এ অনেকেই সিট হারাবেন, দেখতে থাকুন।' 

তিনি বিজেপির উদ্দেশে আরও বলেন । আপনারা জিরো ছিলেন জিরো থাকবেন।বাংলায় হিরো ছিল, হিরো থাকবে।আমরা কোর্টেও জিতি, ভোটেও জিতি। বিরোধী দলনেতা  শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তৃণমূলের যাওয়ার সময় হয়ে গেছে। হীরক রানি বাইবাই। বাইবাই। ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার আসবে। অনুপ্রবেশ এবং SIR ইস্য়ুও উঠে আসে বিধানসভায়। তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন ,রাজ্য়ে এই মুহূর্তে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ বাড়ছে। 

সীমান্তে সাড়ে ৫০০ কিলোমিটারে এখনও কাঁটাতারের বেড়া নেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রত্য়েকেই রাজ্য় সরকারের কাছে জমি চেয়েছে। কিন্তু রাজ্য় সরকার দিচ্ছে না। এই অনুপ্রবেশের দায় নিতে হবে রাজ্য় সরকারকে। এরপরই মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত জায়গা চেয়েছে BSF, আমি দেব না। ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত আমি দিতে রাজি আছি। কিন্তু, ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত, BSF ঢুকবে, আমি তা করতে দেব না। আপনারা (বিজেপি) কি বাংলাটাকে দখল করবেন? কাকে জমি দিইনি?  BSF, CISF, CRPF যখন যেখানে যা জমি চেয়েছে, রাজ্য় সরকার দিয়েছে। কিন্তু, অনৈতিক দাবি আমরা মানব না।