কলকাতা: বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠক থেকে বড় বার্তা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এদিন তিনি বলেন, 'কেন্দ্র-রাজ্য যৌথভাবে দাঁড় করাবে পশ্চিমবঙ্গকে। ...নন্দীগ্রামের মতো গুলি না চালিয়েও শিল্প আনা যায়..সেটাই আসবে পশ্চিমবঙ্গে। মানুষ নিজেরাই এগিয়ে এসে জমি দিচ্ছেন। কর্মসংস্থানমুখী শিল্পবান্ধব রাজ্য হবে পশ্চিমবঙ্গ। আগামীদিনে পশ্চিমবঙ্গে শিল্প গড়তে জমি কোনও বাধা হবে না। রেলমন্ত্রীর উন্নয়ন মিশনে যুক্ত হয়েছে বাংলা..বহু শিল্প প্রকল্পের প্রস্তাব ইতিমধ্যেই মিলেছে। টাটাকে এখানে আনব আমরা।'

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ভাঙনের জেরে তৃণমূলের হাতছাড়া দুবরাজপুর পুরসভা, পুরসভার পদ থেকে ইস্তফার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দল ছাড়লেন ১২ জন

Continues below advertisement

" রাজ্যের জন্য ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের"

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদিজীর হাত ধরে দেশের সার্বিক উন্নয়ন। মহিলাদের সংরক্ষণ থেকে নারী নিরাপত্তায় জোর। বিনামূল্যে রেশন উল্লেখ্যযোগ্য পদক্ষেপ। ৮২ কোটি মানুষকে ফ্রি রেশন। ৬১.৮ শতাংশ দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা আজ ৫ কোটি ছুঁইছুঁই। মোদি জমানায় ৪ লক্ষ কিমি পাকা রাস্তা। উত্তর ভারতে বিকাশ হয়েছে মোদির সময়েই। প্রান্তিক মানুষ আর্থিক প্রতারণার হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে। চেনাব ব্রিজ, অটল টানেলের মত অসম্ভব কাজ সম্ভব হয়েছে। কৃষিতে উৎপাদন ৭১ শতাংশ বৃদ্ধি। নিজেকে PM নন, প্রধান সেবক বলতে পছন্দ করেন মোদিজি। বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ায় ভারত অনেক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে। বিকশিত ভারত তৈরি করার ক্ষেত্রে আমরা সফল হব। বিশ্বগুরু হতে চলেছে ভারত। ২০৪৭ সালে বিকশিত ভারত আমাদের মূল লক্ষ্য। ডবল ইঞ্জিনের স্বাদ পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। এবার আত্মনির্ভর হবে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যের জন্য ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের। অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর রাজ্য তৈরি হবে পশ্চিমবঙ্গ। ১২৫ দিনের কাজ পাবেন প্রান্তিক মানুষেরা। ১৮৯৪-এর জমি অধিগ্রহণ আইন অনুযায়ী জমি কিনছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। '

রাজ্যে পালা বদলের পরপরই শিল্প নিয়ে বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি  শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেছিলেন, সিঙ্গুরে কৃষক জমি ফেরৎ পেয়েছেন, কিন্তু জমি তাঁর ফসল ফেরৎ পায়নি। কারণ সিঙ্গুরের জমির চরিত্র বদল হয়ে গিয়েছে।আমরা সেখানে ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল হাব তৈরি করব।..সেখানে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার টার্ণ ওভার আছে।তাঁদের পাশে সরকার দাঁড়াবে। এখানে একটা হাব তৈরি হবে।  লক্ষ্য একটা পশ্চিমবঙ্গে ভারী শিল্প নিয়ে আসা।'