অনির্বাণ বিশ্বাস ও সত্য়জিৎ বৈদ্য়,  কলকাতা: 'SIR-এ এখনও বাকি ৬০ লক্ষের নিষ্পত্তি। শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, তারপরেই দুই ২৪ পরগনা। SIR-নিষ্পত্তিতে প্রায় ২০০ জুডিশিয়াল অফিসার। জুডিশিয়াল অফিসারদের সুরক্ষা দেবে রাজ্য', কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে আশ্বাস রাজ্যের, খবর সূত্রের।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ১ ঘণ্টারও বেশি সময়ের পর শেষ হল বৈঠক, জরুরি বার্তা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

Continues below advertisement

SIR-এ এখনও বাকি ৬০ লক্ষের নিষ্পত্তি হওয়া বাকি ! এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। তারপরেই রয়েছে দুই ২৪ পরগনা। অর্থাৎ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। কমিশনের সঙ্গে এদিন প্রায় ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক হয়েছে। সেখানে রাজ্যের তরফে এই আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে খবর।  সূত্রের খবর ,'কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না। এখানে খাবে, DA পাবে, কাজও করাতে হবে', শুনানি নিষ্পত্তির উপরে নির্ভর করছে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট । কোথায় কত বাহিনী, তা নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ।'কী কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, নজর রাখবেন অবজার্ভাররা। সেন্ট্রাল মনিটরিং সিস্টেমে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরে নজরদারি', কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর নজর রাখবেন DGP-ও।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে, সোমবার থেকে কাজ শুরু করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত জুডিশিয়াল অফিসাররা। সোমবার বিকেলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল।কিন্তু, কত সংখ্য়ক আবেদনের নিষ্পত্তি করতে হবে তাঁদের? সোমবার রাতে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের আবেদনের নিষ্পত্তি করতে হবে।২০০ জন জুডিশিয়াল অফিসার সেই কাজ করবেন। প্রয়োজনে জুডিশিয়াল অফিসারের সংখ্য়া বাড়ানো হবে।  আবেদনের সংখ্য়ার নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। তারপরই রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা। সবথেকে কম আবেদন জমা পড়েছে ঝাড়গ্রাম থেকে। সূত্রের দাবি, জুডিশিয়াল অফিসারদের সুরক্ষা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য সরকার।শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট কার্যত বুঝিয়ে দেয়, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ২৮ তারিখই প্রকাশিত হচ্ছে। প্রয়োজনে পরে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করে নাম যোগ করা যেতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে কমিশন সূত্রে দাবি,শুনানি নিষ্পত্তির উপরে নির্ভর করছে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। এবার কার্যত নজিরবিহীনভাবে ভোট ঘোষণা আগেই রাজ্য়ে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

তবে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী আগে আসছে ঠিকই। তাদের যথাযথভাবে কাজে লাগানো হবে তো? এই প্রেক্ষাপটে সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়েও CEO দফতরে হয় বৈঠক। সূত্রের দাবি, সোমবারের বৈঠকে CEO জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না। এদের আনাই হচ্ছে কাজ করানোর জন্যে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজের উপর নজর রাখবেন অবজার্ভার এবং DGP. বৈঠকের পর এই নিয়ে বিশেষ কোনও মন্তব্য় করেননি CRPF-এর IG.এর মধ্য়ে সোমবার বহুতলের আবাসিকদের সঙ্গে জনসংযোগ করেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। যার পোশাকি নাম ছিল, 'কলকাতা মহানগর হাইরাইজ সম্মেলন'। সেখানে তিনি বলেন, 'আমাদের পক্ষে ভোট দিন বা বিপক্ষে, কিনতু নিশ্চিতভাবে ভোট দিন। এই জনসংযোগ কর্মসূচি থেকে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, গণতান্ত্রিক ব্য়বস্থাকে যারা ধ্বংস করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।