রুমা পাল, কলকাতা: ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হতে চলেছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। ১৪ তারিখ পর্যন্ত শুনানি, তারপরে নথি যাচাই, বুথ পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়া। ১ মার্চ ফের আসছেন জ্ঞানেশ ভারতী।
আরও পড়ুন, "হুমায়ুনের মাথা খারাপ হয়ে গেছে..", কটাক্ষ সৌগতর, তবে অন্য তত্ত্ব সামনে আনছেন এই BJP নেতা !
কী জানাচ্ছে নির্বাচন কমিশন ?
মূলত ,আগে ১৪ তারিখ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল। গতকাল সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, স্ক্রুটিনির জন্য আরও সাত দিন সময় বাড়ানো হোক এবং তারপর ১৪দিন পিছিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি অবশেষে প্রকাশিত হতে চলেছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। নির্বাচন কমিশন, নোটিফিকেশন দিয়ে জানিয়ে দিল যে, ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পাবে। এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুনানি হবে।
কোনটা কত তারিখ অবধি চলবে ? দেখুন একনজরে
| বিষয় | তারিখ |
| শুনানি চলবে | ১৪ ফেব্রুয়ারি অবধি |
| নথি স্ক্রুটিনি চলবে | ২১ ফেব্রুয়ারি অবধি |
| বুথ পুনর্বিন্যাস | ২৫ ফেব্রুয়ারি অবধি |
| হেলথ্ প্যারামিটারগুলি চেক করা হবে | ২৭ ফেব্রুয়ারি অবধি |
| চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পাবে | ২৮ ফেব্রুয়ারি |
কী নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও ?
এদিন নির্বাচন কমিশনের বৈঠক ছিল দিল্লিতে। সেই বৈঠকে এসআইআর-র এই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে, ভোট প্রস্তুতি নিয়ে, কবে ভোট করা যেতে পারে, সেক্ষেত্রে পরবর্তী যে ধাপ, বুথ পুনর্বিন্যাস -সমস্ত কিছু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতের নির্দেশে ৮ হাজার ৮০৫ জন অফিসার দেওয়ার কথা ছিল, রাজ্যের তরফে পাঠানো হয়েছিল, তাঁদের নিয়োগ নিয়ে কিন্তু ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে।
তারিখ পিছোতেই নিশানা সুজনের
এবিষয়ে সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। ৭ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করার কথা, অযোগ্যতায় সেটা পিছিয়ে গেল ১৪ ফেব্রুয়ারি। পুনরায় অযোগ্যতা, চূড়ান্ত হেনস্থা করে এখন পিছিয়ে গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি। কেন ? রাজ্য সরকার যথাযথ অফিসার দেয়নি, ..না দেওয়ার মধ্য দিয়ে রাজ্য সরকার হেনস্থা হতে সাহায্য করেছে। স্বাভাবিক কারণেই পিছোতে পিছোতে, ২৮ তারিখ কোর্টে থাপ্পড় খেয়ে, কোর্ট বুঝিয়ে দিয়েছে, নির্বাচন কমিশন অযোগ্য। কোর্ট বুঝিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার অযোগ্য, অপদার্থ। শেষমেষ বের হবে।