কলকাতা: SIR-এর খসড়া তালিকায় থাকা বাংলাদেশিদের ওপর নজর কমিশনের। কমিশন সূত্রে খবর, রয়েছে ভারতের ভোটার কার্ড, আবার ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশেও, মিলেছে স্লিপ। বাংলাদেশের ভোটার তালিকাতেও নাম রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সুপার চেকিংয়ে উঠে এসেছে তথ্য, সূত্রের খবর।

আরও পড়ুন, ব্যারাকপুরে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করল তৃণমূল, বৃদ্ধ মৃত্যুর ঘটনায় সিদ্ধান্ত শাসকদলের

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের আবেদনের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচন কমিশন কি শুনানির মেয়াদ বাড়াবে? এই প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাচ্ছে, তখন এদিনও বিভিন্ন জায়গা চলছে SIR-এ শুনানি। উঠে আসছে হয়রানির অভিযোগ। অন্যদিকে, SIR-এর নথি হিসেবে ডমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করার নির্দেশ ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। শনিবার ছিল শুনানির প্রক্রিয়ার শেষ দিন! ডেডলাইন পার হওয়ার দিনই  SIR শুনানির সময়সীমা আরও ৭ দিন বাড়ানোর জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে। আর্জি জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। শুনানির সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে CEO-কে চিঠি দেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। সূত্রের দাবি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ছাড়াও, উত্তর কলকাতার ৪টি বিধানসভা কেন্দ্র মালদা ও কার্শিয়ঙের DEO-র তরফেও শুনানির সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।  শুনানির দিনক্ষণ বাড়ানো নিয়ে এখনও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত নির্দেশ আসেনি, যদিও রবিবার অবশ্য বিভিন্ন জায়গায় চলছে SIR-এর শুনানি। সেই সঙ্গে ধরা পড়ছে হয়রানির ছবি। আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে রবিবার চলে SIR-এর শুনানি। শুনানিতে যারা হাজির হয়েছে, তাঁদের অনেকেই হয়রানির অভিযোগ করছেন। রেখা আদানি (৭৩)। কলকাতার রিপন স্ট্রিটের বাসিন্দা, তাঁর দাবি, SIR-এ অনলাইনে আবেদন করেছিলেন। রবিবার ফিজিক্য়াল ভেরিফিকেশনের জন্য শুনানিতে ডাক পড়ে তাঁর। অসুস্থ অবস্থাতেই শুনানিতে আসতে হয়েছে তাঁকে কলকাতা  রিপন স্ট্রিট বাসিন্দা রেখা আদানি বলেন, ব্লাড প্রেসার, সুগার আছে। ঠিকভাবে দাঁড়াতে পারি না। বলেছিল আসতে। দেখতে চেয়েছিল। কিছুটা তো সমস্য়া হচ্ছেই।   এদিকে শেষ পর্বে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, SIR নথি হিসেবে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং কলকাতার ক্ষেত্রে কালেক্টারের দেওয়া পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট বা ডমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হবে।  তবে সেই সার্টিফিকেট অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ১৯৯৯ সালের দোসরা নভেম্বর জারি করা নির্দেশিকা ও তার ভিত্তিতে পরবর্তীকালে জারি নির্দেশিকা অনুযায়ী হতে হবে।তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ  কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, এখন শেষ মূহূর্তে এসে ওরা (নির্বাচন কমিশন) এ সমস্ত করছে। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় নিজে মামলা করছে। এজন্য আজকে এত পরিবর্তন হচ্ছে।