বিটন চক্রবর্তী, পূর্ব মেদিনীপুর, সত্যজিৎ বৈদ্য, কলকাতা : বাংলায় SIR - এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিএলও- দের অসুস্থ হওয়ার খবর আসছে বিভিন্ন জেলা থেকে। অভিযোগ, SIR - এর কাজের চাপে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বিএলও- রা। এমনকি কয়েকজন বিএলও- র মৃত্যুও হয়েছে SIR - এর কাজের অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে না পেরে, এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে বেশ কিছু ভিডিও। কোথাও হাউহাউ করে কাঁদছেন বিএলও। কোথাও বা কাজের অত্যধিক চাপের কথা বলছেন। এরই মাঝে খবর পাওয়া গেল অসুস্থ হয়ে পড়েছেন AERO অর্থাৎ অ্যাসিসট্যান্ট ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার। অভিযোগ, SIR - এর কাজের অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে না পেরেই এই AERO অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। জানা গিয়েছে, অসুস্থ AERO ভর্তি রয়েছেন কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সে। 

Continues below advertisement

জানা গিয়েছে, পিংলা বিডিও অফিসের কর্মী চণ্ডীপুরের হাঁসচড়ার বাসিন্দা বিবেকানন্দ পাল। বাড়িতেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন তিনি। প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজে। এরপর অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতায় রেফার করা হয় ওই ব্যক্তিকে। কলকাতায় এনে তাঁকে ভর্তি করা হয় ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সে। SIR- এর কাজের চাপেই অসুস্থ হয়েছে বিবেকান্দ পাল, দাবি AERO-র সহকর্মীদের। SIR- এর কাজের চাপের জন্য উদ্বিগ্ন ছিলেন এই ব্যক্তি, অভিযোগ তাঁর পরিবারের সদস্যদের। 

পিংলার বিডিও অফিসে সুপারভাইজার হিসেবে SIR- এর কাজ সামলাচ্ছিলেন এই AERO বিবেকান্দ পাল। তাঁর সহকর্মীদের দাবি SIR- এর কাজ নিয়ে প্রবল চাপে ছিলেন বিবেকানন্দবাবু। কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন বলেও দাবি করেছেন সহকর্মীরা। অসুস্থ AERO- র পরিবারের সদস্যদের দাবি, সকালে বাথরুমে গিয়েছিলেন। তারপর থেকে এসে অসুস্থ বোধ করছিলেন। মাথায় জল দিয়ে সুস্থ করার চেষ্টা হলেও লাভ হয়নি। এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজে। সেখান থেকে কলকাতায় রেফার করা। রবিবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ অসুস্থ হয়ে পড়েন বিবেকানন্দ পাল। পরিবারের দাবি, টেনশনের কারণেই অসুস্থ হয়েছেন তিনি। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে পরিবারের সদস্যদের কথায় সংকট এখনও কাটেনি। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন গুরুতর ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়া AERO বিবেকান্দ পাল। তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজ থেকেও তাঁকে এটা বলেই কলকাতায় রেফার করা হয়েছিল যে তিনি বেশ ভালরকম অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, কলকাতার হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছিল তাঁদের। 

Continues below advertisement