কলকাতা: আজ জুডিশিয়াল অফিসারদের সঙ্গে কমিশনের প্রতিনিধিদের বৈঠক। SIR-নিষ্পত্তিতে বিচারকদের তালিকা প্রকাশ ও কমিটি গঠন। প্রতি জেলার জন্য ৩ সদস্যের কমিটি গঠন। কমিটিতে থাকবেন জেলা জজ, জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পালন হচ্ছে কি না, খতিয়ে দেখবে কমিটি। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, শ্রীরামকৃষ্ণের ১৯১ তম জন্মমহোৎসবে সেজে উঠেছে বেলুড় মঠ, বসছে মেলা, হাতে হাতে প্রসাদ বিতরণ, কটা অবধি থাকবে খোলা ?

Continues below advertisement

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পালনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে কমিটি। সূত্রের খবর, প্রতি বিধানসভা কেন্দ্রে ১ জন করে জুডিশিয়াল অফিসার চাইল কমিশন। NDPS ও পকসো মামলার বিচারকদের তালিকা প্রকাশ। তালিকায় আরও অন্যান্য মামলার বিচারকরাও। ৯৫ জন বিচারকের তালিকা প্রকাশ হাইকোর্টের । সোমবার থেকে কাজ শুরুর নির্দেশ হাইকোর্টের। রাজ্যের বিচারবিভাগীয় সচিবকে চিঠি হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারের। 'জুডিশিয়াল অফিসার হিসেবে কাজ করবেন NDPS ও পকসো মামলার ১০০ জন বিচারক। অন্যান্য কোর্ট থেকে আরও ১৫০জন বিচারক জুডিশিয়াল অফিসার হিসেবে কাজ করবেন'।আপাতত ২৫০জন জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ সম্ভব বলে মনে করছে হাইকোর্ট, খবর সূত্রের।

SIR আবহে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে তৈরি হওয়া সংঘাত থামাতে নজিরবিহীন নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 'লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি'র ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বর্তমান এবং প্রাক্তন জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগের জন্য় কলকাতা হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। আর এই নির্দেশ দিতে গিয়ে সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। 'বেনজির পরিস্থিতি','দুর্ভাগ্যজনক বিষয়', 'দোষারোপের খেলা চলছে','অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ', 'কমিশন ও রাজ্য় সরকারের মধ্য়ে বিশ্বাসের ঘাটতি' থেকে 'আর কোনও বিকল্প নেই'এরকম বাছা বাছা শব্দবন্ধ ব্যবহার করে শুক্রবার SIR মামলায় নজিরবিহীন নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট! রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সংঘাত মেটাতে, 'লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি'র ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বর্তমান এবং প্রাক্তন জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগের জন্য় কলকাতা হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।

হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে,'জেলা জজ' বা 'অতিরিক্ত জেলা জজ' পদমর্যাদার বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল অফিসার দেওয়ার জন্য়, যাদের সততা প্রশ্নাতীত। 'লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি'র মধ্য়ে এখনও যে দাবি বা অভিযোগ রয়ে গেছে, তাঁরা তা খতিয়ে দেখবেন এবং নিষ্পত্তি করবেন। এই বর্তমান ও প্রাক্তন জুডিশিয়াল অফিসারদের সাহায্য় করবে নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত মাইক্রো অবজার্ভার এবং রাজ্য় সরকার নিযুক্ত অফিসাররা, যাদের ইতিমধ্য়ে এই ধরনের কাজের জন্য় নিয়োগ করা হয়েছে।নির্দেশনামায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলেছে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে দোষ চাপানোর খেলা চলছে, অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ করা হচ্ছে, যার থেকে স্পষ্ট, দুটি সাংবিধানিক সংস্থা, একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাজ্য সরকার এবং আরেকটি ভারতের নির্বাচন কমিশন, তাদের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে।  অফিসারদের পদমর্যাদা বিবাদে রাজ্য় সরকার ও কমিশনের ভুমিকায় কার্যত অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।