বিষ্ণুপুর (দক্ষিণ ২৪ পরগনা) : উস্কানিমূলক মন্তব্যের পর এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উঠল ত্রাণ 'দুর্নীতি'র অভিযোগ। আমফানে ২৫০ কোটি টাকা ত্রাণ 'দুর্নীতি' হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানায় এনিয়ে অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। অভিযোগ, আমফানের পরে একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে ত্রাণের টাকা দেওয়া হয়েছে। ত্রাণের টাকার বিনিময়ে কাটমানি নেওয়া হয়েছে। SIT গঠন ও ফরেন্সিক অডিটের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতা।

Continues below advertisement

এ প্রসঙ্গে অভিজিৎ বলেন, "প্রায় ২৫০ কোটি টাকা মতো শুধু আমফানে ঘর মেরামতিতে দুর্নীতি, যেটা কেন্দ্র থেকে এসেছিল। সেখানে ৫ হাজার আংশিক ক্ষতি হল, ২০ হাজার বেশি ক্ষতি হলে। ডায়মন্ডহারবারে সমস্ত বিধানসভায় করা হয়েছিল। প্রত্যেকটা থানায় এফআইআর করা হবে। আজ প্রাথমিকভাবে শুরু হল বিষ্ণুপুর থানায়। বিষ্ণুপুর ১ ও ২ ব্লকে দুর্নীতি নিয়ে করেছি। অবৈধ পঞ্চায়েত সদস্য, জেলা পরিষদ সদস্য এবং পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা...মাননীয় সাংসদ...ছাপ্পা ভোটে জেতা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃপায় কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন।" 

সই-জালিয়াতিকাণ্ডে মঙ্গলবার, কালীঘাটের পার্টি অফিসে তল্লাশি। বৃহস্পতিবার, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানীভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জেরার পর, রবিবার, ফের তাঁকে তলব করা হয়েছে। তার আগে শুক্রবার, ভোটপ্রচারে উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে পৌঁছায় CID। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়িতে না থাকায়, অফিসের কর্মীর সঙ্গে কথা বলেন CID-র অফিসাররা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের এক কর্মী বলেন, "অভিষেকদা দিদির বাড়ির মিটিংয়ে আছেন। ওঁদেরকে বলেছি আমরা রিসিভ করলে হবে? ওঁরা বলেছে একটু কথা বলে ওঁরা অফিশিয়াল জানাচ্ছে। জানালে তারপর আমরা নিয়ে নেব।" এরপর সেখানেই অপেক্ষা করে সিআইডি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটের বাড়িতে ঢুকলে তাঁর অফিসের কর্মী পরিচয় দেওয়া একজনের হাতে তুলে দেওয়া হয় নোটিস।

Continues below advertisement

ভোটপ্রচারে বারবার DJ বাজানোর কথা বলেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, "৪ তারিখে রবীন্দ্রসঙ্গীতের সাথে গ্রামে একটু করে ডিজে-ও বাজবে। তৈরি থেকো। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো উদার নই।"

এই প্রেক্ষিতে উস্কানিমূলক ভাষণ, হুমকি এবং শান্তি বিঘ্নিত করার মতো অভিযোগ তুলে বাগুইআটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন রাজীব সরকার নামে এক ব্য়াক্তি। প্রথমে বিধাননগর সাইবার থানা তদন্ত শুরু করে। পরে তদন্তভার নেয় রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা CID