কলকাতা: আদালতে অস্বস্তি বাড়ল শুভেন্দু অধিকারীর। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার দেওয়া রক্ষাকবচ প্রত্যাহার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর। ঠিক এমনই এক দিনে, ছট পুজোর উদ্বোধনে এসে ফের হিন্দুদের একজোট হওয়ার আহ্বান করলেন  রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, আদালতে অস্বস্তি বাড়ল শুভেন্দুর, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার দেওয়া রক্ষাকবচ প্রত্যাহার

Continues below advertisement

 এদিন শুভেন্দু স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন,' .. এসো। গ্রেফতার করা শুরু করলে শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত চলে যাবে। .. বড় বড় আইনজীবীরা আমাকে আশীর্বাদ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের সবথেকে বড় যে সকল ক্রিমিন্যাল আইনজীবীরা আছেন, সবাই আমাকে সহযোগিতা করেছেন।  ..এই লড়াইয়ে আজকের রায়ে আমি খুশি।..ওরা যেভাবে চিৎকার করছে, বিরোধী দলনেতা নিজের কাজ, নিজের লড়াই,  ঠিক করেই সামলাচ্ছেন, এটা প্রমাণ করেছে।' 

২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব FIR’এ অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। আজ সেই রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করে নিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১৫টি মামলা খারিজও করল কলকাতা হাইকোর্ট। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে একই দিনে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্বস্তি ও অস্বস্তিতে শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারীকে দেওয়া বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার দেওয়া রক্ষাকবচ শুক্রবার প্রত্যাহার করে নিল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১৫টি মামলা খারিজও করলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।  রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে বারবার মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেনদু অধিকারী। ২০২২ সালে সেনিয়ে একটি বইও প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে বিরোধী দলনেতার অভিযোগ,২০২১-এর ৫ মে’র পর থেকে ২৭ নভেম্বর অবধি তাঁর বিরুদ্ধে মোট ২৬টি মিথ্যা মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এর বিরুদ্ধেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু অধিকারী। সেই মামলার প্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব FIR’এ অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। শুক্রবার সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বলেন কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনিদির্ষ্টকালের জন্য হতে পারে না। এটার শেষ রয়েছে। এরপর রক্ষাকবচ প্রত্য়াহার করে নেন তিনি।

তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্য সাধারণ সম্পাদক  কুণাল ঘোষ বলেন, এটা কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস বা রাজ্য় সরকার যা বক্তব্য় রেখেছে, তাতেই মান্য়তা, আইনি মান্য়তা হল। যে, এভাবে একটা দীর্ঘকালীন কবে শেষ হবে, তার নেই ঠিক, একটা চিরকালীন রক্ষাকবচ দেওয়া যায় না। যার বলে বলীয়ান হয়ে, বিরোধী দলনেতা বহু প্ররোচনামূলক কথা বলেছেন। কুৎসা করেছেন। আপত্তিকর কাজ করেছেন। কিন্তু কিছু করা যায়নি আইনে।' শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১৫টি মামলাও এদিন খারিজ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।  শুভেন্দু অধিকারীর তরফে কোনও বক্তব্য থাকলে তা সোমবারের মধ্যে লিখিত আকারে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।