নদিয়া: চাকদার সভায়, এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর অভিযোগও তুলেছেন তিনি। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, নবান্নর সামনে ধর্নায় 'না' হাইকোর্টের, " এই রায় মানি না..", রায়কে চ্য়ালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ার দাবি শুভেন্দুর

Continues below advertisement

'বিজেপি এলে নাকি দাড়ি রাখা যাবে না বলে কুৎসা রটানো হচ্ছে', বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

শুভেন্দু বলেন,' ..কী ধরণের কুৎসা ? বিজেপি এলে (রাজ্যে বিজেপি সরকার এলে) নাকি দাঁড়ি রাখা যাবে না ! এই তৃণমূলি লোকেদের জিজ্ঞেস করব, ২০ রাজ্যে বিজেপি এনডিএ আছে, কোথায় কোন মানুষ দাঁড়ি রাখতে পারে না ?  ধর্ম পালন করতে পারে না ? তার একটা উদাহরণ দিতে পারবেন ? পারবেন না। তৃণমূলের খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে। ইলেকশন কমিশন, গর্তে কার্বলিক অ্যাসিড ঢেলে দিয়েছে। যত বিষাক্ত সাপ ছিল, তাঁরা সব বেরিয়ে এসেছে। ফারাক্কার বিডিও অফিস ধুলিসাৎ। সবাই দেখছে, মণিরুলের নেতৃত্ব- এমএলএ-র নেতৃত্বে, ভাংচুর, আর বিডিও এর চোখে ন্যাবা হয়ে গিয়েছে। তিনি বলছেন, আননোন এফআইআর। কালকে চাকুলিয়াতে একই দৃশ্য। গোটা রাজ্যজুড়ে রোহিঙ্গা বাংলাদেশি, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের, এই বাংলায় এই ভারতে, রাখার জন্য, মরিয়া প্রয়াস, এসআইআর-কে বাঞ্চাল করব। ইলেকশন কমিশন ডোন্ট কেয়ার করছে। কেন করছে ? বাবাসাহেব আম্বেদকর, সংবিধানের আর্টিকেল ৩২৪, ইলেকশন কমিশনকে, পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতা দিয়ে গিয়েছে, স্বচ্ছ পরিচ্ছন্ন বোটার তালিকা করার জন্য। বিজেপির মাথাব্যাথা নেই। যে চোদ্দই ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকা বের করতে হবে। '

খালা মমতা পালাবে,.. মোল্লা ইউনুসের কাছে : শুভেন্দু অধিকারী

একুশের ভোট পরবর্তী হিংসার কথা মনে করিয়ে এদিন শুভেন্দুর সংযোজন,  এই গুন্ডাবাহিনী, কিছুদিন আঘে মুকুটমনির হয়ে, লুঠ করতে গিয়েছিল। আমাদের রানাঘাট দক্ষিণে, আপনারা দেখেছেন, কেউ কেউ ক্যালানি খেয়েও ফিরেছে, পঞ্চায়েতের প্রধান। এই লোকেদের খুঁজে পাবেন আপনি ? ১ ঘণ্টার মধ্যে পগারপার। পালাবে। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বলেন, খালা মমতা, বেড়া দেওয়ার জন্য যেখানে, জমি দেয়নি, ওই ফাঁকা রাস্তা ওরা জানে, ওটা দিয়েই পালাবে মোল্লা ইউনুসের কাছে। তাই যত গোলমাল করবে, আপনারা ওদের ফাঁদে পা দেবেন না। অসীম সরকার বলেছে, জগন্নাথ দা বলেছে, হিন্দুদের জন্য বিজেপি আছে। আপনারা কেউ অনুপ্রবেশকারী নন। আপনারা শরনার্থী।