ডেবরা : তোলাবাজির অভিযোগে সংঘাত। ফের বিজেপি বনাম বিজেপি। এবার দলেরই একাংশ কর্মীর বিরুদ্ধে তাঁর উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ তুললেন ডেবরার বিজেপি বিধায়ক শুভাশিস ওম। তোলাবাজির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে এসব হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।

Continues below advertisement

বিধায়ক বলেন, "অঞ্চলে একটু গণ্ডগোল হয়েছিল। কর্মীরা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে একটু কেস করতে চাইছিলেন। আমি বললাম, আমরা তো সবাই একই পতাকার তলায় লড়াই করি। বারবার কর্মীদের উপর এই যে কেস করা...এটা আমার ঠিক ভাল লাগছে না। বলেছি থানায় বারবার। আবার দেখলাম, মেডিক্যাল করে নিয়ে গিয়ে...আমি তখন এসেছিলাম...বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম যে এটা কেন নিজেদের মধ্যে করছেন। তখন একটা শ্রেণি আমার উপর চড়াও হয়ে গেল। আমাদের দলেরই একটা অংশ। আমার উপর চড়াও হন 'আমরা এমএলএ-কে মানি না।' তোলাবাজির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে এসব হচ্ছে।"

যদিও ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাস বলেন, "কোথায় কী তোলাবাজি হয়েছে সেসব কিছু আমি জানি না। আমার কাছে কেউ তোলাবাজি নিয়ে কোনও অভিযোগও করেননি। কিছু কিছু জায়গা থেকে অভিযোগ এসেছে। সেটা আমাদের পার্টির কেউ যুক্ত আছে কি না সেই ব্যাপারেও আমি প্রেসের সামনে বলতে পারব না। আজকের ঘটনা শুনেছি। আমি যখন হাসপাতালে এলাম...শোনার পরে হাসপাতালে দেখলাম সবাই মোটামুটি ঠিকঠাকই ছিলেন। হেঁটে চলছিল। তারপরে আপনারা সাংবাদিকরা যখন এলেন...সবাই দেখলাম ব্যান্ডেজ হচ্ছে। মেডিক্যালে প্রচণ্ড লাইন পড়ে গেছে। এগুলো ঠিক নয়। পার্টির সমস্ত কর্মীরাই...আমরা মিলে ভোটে বিধায়ক তৈরি করেছি। ইন্টারনাল কিছু বিষয় থাকলে সেগুলো আলাদা আলাদাভাবে বসা যেত। এভাবে পাবলিকলি কোনও কিছু না করাটাই আমার মনে হয় ভাল।"

Continues below advertisement

এদিকে তোলাবাজিতে জিরো টলারেন্সের কথা বলে আগে এর আগে একাধিকবার এনিয়ে বার্তা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তিনি বলেছেন, "সমস্ত কিছু সমাধান করা যায়নি। আমি আমার দলের পক্ষ থেকে যদি দাঁড়িয়ে আপনাদের সামনে বলি যে আমি সমস্ত জায়গায় তোলাবাজি বন্ধ করে দিতে পেরেছি...ভুল বলছি। বিচ্যুতি আছে। একটা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে মানুষ দীর্ঘদিন চলে গেছে। একটা সহজ অর্থর মধ্য দিয়ে একটা সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত পরিমণ্ডল বদল হয়ে গেছে, এরকম নয়।"  BJP News