কলকাতা: ফের রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদির জনসভা। মূলত নতুন বছরে পা দিয়ে, বিধানসভা ভোটের আগে, ফের রাজ্যে আসছেন নরেন্দ্র মোদি। ১৭ জানুয়ারি মালদার ইংরেজবাজারে সভা। পরের দিন হুগলির সিঙ্গুরে সভা করবেন নরেন্দ্র মোদি।  শিল্প চলে যাওয়ার ১৮ বছর পরে , ১৮ জানুয়ারি শিল্প হারা সিঙ্গুরেই রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা। জানা যাচ্ছে, ওই দিনই সিঙ্গুর থেকে হুগলি-পুরুলিয়া লোকালের উদ্বোধন হবে। সরকারি অনুষ্ঠানের পরেই সিঙ্গুরে জনসভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, 'বিরিয়ানি ও মাংস কিনতে হবে হিন্দুদের দোকান থেকে..' ! BJP নেতা কৌস্তভ বাগচীর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

Continues below advertisement

১৮ জানুয়ারি শিল্প হারা সিঙ্গুরেই প্রধানমন্ত্রীর জনসভা

ভোট আসে, ভোট যায়, কিন্তু রাজ্যের শিল্পের বহর বাড়ে না, বরং একে একে কল-কারখানায় তালা পড়ে, আর বন্ধ তালায় জং! কোভিড পরিস্থিতিতে যখন তৃতীয়বার সরকার গঠন হয়েছিল, সেসময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এবারের প্রথম লক্ষ্য 'শিল্প।' সেই কথা মত তিনি বছর বছর বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনও করেছেন। দিয়েছেন প্রচুর কর্মসংস্থানেরও বার্তাও। বলাইবাহুল্য তাঁতে মোটেই চিড়ে ভেজেনি, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির। প্রতিটা সম্মেলনের সঙ্গে সঙ্গেই উঠে এসেছে, একটাই প্রশ্ন, আগের প্রতিশ্রুতিগুলির কী হল ? সবথেকে বড় কথা, কোনও সরকারি প্রকল্পই, টাটা বিদায়ের ক্ষত ভরাতে পারেনি বলেই দাবি বাম-বিজেপি দলগুলির। বরং প্রতিটা ভোটের আগে এই প্রশ্নই বড় হয়ে উঠেছে।

'ডবল ইঞ্জিন সরকার..'

এদিকে দোরগড়ায় ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট। এসআইআর আবহে চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই যেনও শুরু হবে লং জাম্প। মনে মনে কাউন্টডাউন শুরু হবে যে, কবে হবে নির্ঘণ্ট ঘোষণা ? কিন্তু ছাব্বিশের ভোটের আগে যদি বড় ইস্যু হয় এসআইআর, ধর্ম , তারই সঙ্গে সবথেকে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা। কারণ সভাস্থল রাজ্যের আরও কোনওখানে নয়, জায়গাটা সিঙ্গুর, যেখান থেকে এক সরকার শিকড় ছড়িয়েছিল বলেই দাবি রাজনৈতিক মহলের। আর এখানেই তাৎপর্যপূর্ণ মোদির সিঙ্গুরের জনসভা। কারণ প্রতিটা বিধানসভা ভোটের প্রচারেই শোনা যায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নের্তৃত্বের ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়ার কথা। তবে কি এই সিঙ্গুরেই ছাব্বিশের ভোটযুদ্ধের কোনও পাশার চাল লুকিয়ে রয়েছে ? একুশের ভোটের থেকে শিক্ষা নিয়েই কি এবার বড় কোনও রণনীতি সামনে আনার জন্য দিন গুণছে অন্দরে অন্দরে বঙ্গ বিজেপিও।