গৌতম মণ্ডস, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা : ভোটের এক মাস আগে নৃশংস ভাবে খুন হয়ে গেলেন বিজেপি কর্মী।  দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে বাড়ি লাগোয়া এলাকায় শেষ করে দেওয়া হল বিজেপি কর্মীকে। ভোটের আগে এমন ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে কি রাজনীতি নাকি ব্যক্তিগত রেষারেষি? নানারকম তত্ত্ব উঠে আসছে এখনই। 

Continues below advertisement

মৃতের পরিচয়

নিহত যুবকের নাম কিশোর মাঝি । বয়স সাঁইত্রিশের আশেপাশে।  কিশোর দিঘিরপাড়-বকুলতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা ও ২১৬ নম্বর বুথের সহ-সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতে ফোন করে ডেকে নিয়ে গলা কেটে খুন করা হয় তাঁকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও এক প্রতিবেশী যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে।

Continues below advertisement

পরিবার কী বলছে?

পরিবারের দাবি, সোমবার রাতে, কিশোর দাসকে ডেকে পাঠায় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন ব্যক্তি। এর কিছুক্ষণ পর, বাড়ি লাগোয়া এলাকাতেই কিশোর দাসের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়।

বিজেপির অভিযোগের আঙুল কার দিকে?            

মঙ্গলবার সকালে নিহতের বাড়িতে যান রায়দিঘির বিজেপি প্রার্থী পলাশ রানা। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে তৃণমূলের হাত রয়েছে। প্রতিবাদে আজ বিকেল ৪টে নাগাদ রায়দিঘি থানা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বিজেপি। যদিও, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করছে তৃণমূল। তৃণমূলের পাল্টা দাবি, এটি রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত বিরোধের জেরে খুন। পাল্টা তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার বলেন, 'বিজেপি যেভাবে এটা নিয়ে ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছে। এটা ত্রিকোণ প্রেমের একটি কাহিনী। তাঁর বউ ও তাঁর বউয়ের প্রেমিক, দুজনে মিলে তাঁর বউ তাঁর নিজের স্বামীকে খুন করেছেন এবং ইতিমধ্যেই তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন।  আমরা বিজেপির এই ঘৃণ্য চক্রান্তকে ঘৃণা জানাই।'

এ প্রসঙ্গে সুন্দরবনের পুলিশ সুপারের দাবি, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে খুন করা হয়েছে তাঁকে।