কলকাতা: ভোটের আগে খাস কলকাতায় বোমা উদ্ধার। সরশুনায় রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ পড়ে রইল বোমা। ১২৭ নম্বর ওয়ার্ডে বোমা উদ্ধারে আতঙ্ক। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া থানায়। বোমাটি উদ্ধার করে নিয়ে যায় বম্ব স্কোয়াড। কে বা কারা বোমা রাখল, তদন্তে পুলিশ। 

Continues below advertisement

ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দু'জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। স্থানীয় দুই দুষ্কৃতী বোমা ফেলে যায়, দাবি স্থানীয়দের। দুষ্কৃতীরা বিজেপির সঙ্গে যুক্ত, দাবি এলাকাবাসীর। 

ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্তে নেমে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে পুলিশ।

Continues below advertisement

এমনকী এদিন কলকাতায় আদালতে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। নগর দায়রা আদালতে বোমাতঙ্ক। মঙ্গলবার একটি হুমকি ইমেল-এ দাবি করা হয়, সিটি সিভিল কোর্টে বোমা রাখা হয়েছে। এই ইমেল পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। গোটা বিল্ডিং খালি করে দেওয়া হয়।   খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। স্নিফার ডগ এনে বিল্ডিংয়টিতে তল্লাশিও চালানো হয়।  

এর পাশাপাশি আসানসোল আদালতেও বোমাতঙ্ক ছড়ায়। উড়ো ফোনের জেরে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। কোর্ট রুম ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন আইনজীবীরা।           

প্রসঙ্গত, নির্বাচনের মুখে রাজ্যের একাধিক জেলা থেকে বহু বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে চলেছে। যার শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা। এর মধ্যে গতকাল নদিয়ার কালীগঞ্জ থেকেও পাঁচটি সকেট বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ।                                                                                       

অন্যদিকে, ভোটের আগে রাতের শহরে ফের শ্যুটআউট, গুলিবিদ্ধ ১। বেনিয়াপুকুর থানা এলাকার তিলজলা রোডে চলল গুলি। গতকাল মহম্মদ নিয়াজ ও মহম্মদ সলমনের মধ্যে বচসা চলে। এলাকাবাসী ও পরিবারের মধ্যস্থতায় তখনকার মতো মিটে যায়। রাত ১টা নাগাদ নিয়াজকে বাড়ি থেকে ডেকে এলোপাথাড়ি ৫-৬ রাউন্ড গুলি। মহম্মদ সলমন ও তাঁর সঙ্গীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ । নিয়াজের পায়ে ৩টি গুলি লাগে, ভর্তি SSKM হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার। সলমন এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী, দাবি এলাকার বাসিন্দাদের । ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বেনিয়াপুকুর থানার পুলিশ ।