কাকভোরে ইএম বাইপাসে ঘটল দুর্ঘটনা। সায়েন্স সিটির সামনে নিয়ন্ত্রণ হারাল চারচাকা গাড়ি।  ডিভাইডারে ধাক্কা মারে গাড়িটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অত্যন্ত দ্রুত গতিতে আসছিল গাড়িটি। সেই জন্যই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। তারপর সোজা ধাক্কা ডিভাইডারে । দুর্ঘটনায় গাড়ির চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত এক সহযাত্রীও।  তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। 

Continues below advertisement

২ দিন আগেই সল্টলেকের ওয়েবেল মোড়ে একটি দুর্ঘটনা ঘটে। আহত হন তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী।  একটি সরকারি বাস থেকে নেমে সিগন্যাল না দেখে রাস্তা পার হতে গিয়েই দুর্ঘটনা, জানিয়েছে পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তি কর্মীর পায়ের উপর দিয়ে বাস চলে যায় বলে অভিযোগ। তথ্য প্রযুক্তি কর্মীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। 

রবিবার সাতসকালে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটে মন্দিরবাজারের গাববেড়িয়াতে।  মৃত্যু হয় বাস কন্ডাকটরের। জখম হন একাধিক বাস যাত্রী। আহতদের স্থানীয় নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। । দুর্ঘটনার জেরে রামগঙ্গা রোডে কিছুক্ষণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ এসে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে ৮৯ রুটের বাস ঢোলাহাট থেকে লক্ষ্মীকান্তপুরের দিকে আসার পথে বেহাল রাস্তার জেরে ঘটে এই দুর্ঘটনা।  একটি দুধের পিকআপ ভ্যানকে রাস্তা দিতে গিয়ে যাত্রী বোঝাই বাসটি উল্টে যায়। বেশ কয়েকজন গুরুতর জখম হয়। এর মধ্যে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় বাস কন্ডাকটর খোকন সর্দারের (৫৭)। বাস সংগঠন ও স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্ঘটনার জন্য বেহাল রাস্তার দ্রুত মেরামত ও অবৈধ যান বন্ধের দাবি তোলেন। 

Continues below advertisement

প্রসঙ্গত , সোমবার ৩ অগাস্ট থেকে শুরু হচ্ছে পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ । এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সকালে একটি এক্স পোস্ট করে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, 'প্রতিটি জীবনই অমূল্য। পথ নিরাপত্তা কেবল আইনি বাধ্যবাধকতা নয়, এটি একটি যৌথ সামাজিক দায়িত্ব। আমরা গাড়ি চালাই, দু-চাকার যান ব্যবহার করি কিংবা পথচারী হিসেবে হাঁটি—আমাদের সতর্কতা ও সচেতনতাই পারে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা রোধ করতে এবং জীবন বাঁচাতে। আসুন, আজ আমরা সবাই দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হই। সর্বদা ট্রাফিক সংকেত ও নিয়মকানুন মেনে চলব ।  অতিরিক্ত গতি ও বিপজ্জনকভাবে গাড়ি  ওভারটেক করা থেকে বিরত থাকব। মত্ত অবস্থায় কখনওই গাড়ি চালাব না। সবসময় সিট বেল্ট ও ভাল গুণমানের হেলমেট ব্যবহার করব।  একে অপরের খেয়াল রাখব এবং সচেতন করব অন্যকে।  প্রত্যেক দায়িত্বশীল নাগরিকের ছোট্ট একটি সচেতন প্রচেষ্টাই আমাদের পরিবার, সন্তান এবং রাজ্যের সকল নাগরিকের জন্য একটি দুর্ঘটনা-মুক্ত ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে।'