কলকাতা: তোলাবাজি অভিযোগ মামলায় ভবানী ভবনে হাজিরা 'মমতা তৃণমূল'-এর কীর্তি আজাদের। তোলাবাজি মামলায় সাংসদ কীর্তি আজাদকে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল সিআইডি। রানিগঞ্জের এক ব্য়বসায়ীর কাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা তোলাবাজির অভিযোগ মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কীর্তি আজাদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই ভবানী ভবনে হাজিরা দেন তিনি। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ফের উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রী, বৈঠকের আগে গেলেন মদনমোহন মন্দিরে

Continues below advertisement

তোলাবাজির মামলা

 অভিযোগ, ২১ মে রানিগঞ্জের একজন গ্য়াস সরবরাহকারী ব্য়বসায়ী তাঁর কাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন কীর্তি আজাদ। সেই ঘটনার পরই ওই ব্য়বসায়ী থানায় তোলাবাজির মামলা রুজু করেন থানায়। সেই মামলার তদন্ত পশ্চিম বর্ধমান জেলা পুলিশ থেকে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সিআইডি তদন্ত শুরু করে। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই কীর্তি আজাদ চলে আসেন

হাইকোর্টের নির্দেশ, নো কোয়ারসিভ অ্য়াকশন অর্থাৎ প্রাক্তন ক্রিকেটার সাংসদ কীর্তি আজাদকে গ্রেফতার করা যাবে না। অন্য়দিকে কীর্তি আজাদকেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২ টা নাগাদ ভবানী ভবনে ডাকা হয় কীর্তি আজাদকে। নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই কীর্তি আজাদ চলে আসেন। 

'আমার ওপর মিথ্য়া ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য়প্রণোদিত অভিযোগ করা হয়েছে'

মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কীর্তি আজাদ বলেছেন, 'রাজনৈতিক উদ্দেশ্য় প্রণোদিত। তদন্তে সহযোগিতা করব। আমার ওপর মিথ্য়াএবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য়প্রণোদিত অভিযোগ করা হয়েছে। যেদিনের কথা বলা হচ্ছে, ২১ তারিখের কথা উনি বলেছেন। আমি ১৯ তারিখ দিল্লিতে চলে গেছিলাম। ২১ তারিখ কে ছিল আমার ঘরে পয়সা নেওয়ার জন্য়।' 

 কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট

এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিয়েছে। তবে তদন্তে সবরকম সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আদালতের নির্দেশ মেনেই এদিন ভবানী ভবনে হাজির হন সাংসদ।  যদি অভিযোগ এসে থাকে, তাহলে তাঁকে ডাকা হবে। ভুয়ো অভিযোগও হতে পারে। আবার সত্য় অভিযোগও হতে পারে। তো কাউকে ডাকা যাবে না। অভিযোগ এলেই খারিজ করে দিতে হবে? যেহেতু উনি কীর্তি আজাদ। এসব তো চলবে না। একটা আইনের শাসন তো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন তো আর শাসকের আইন নেই।  কাউকেই ছেড়ে কথা বলা হবে না।