পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা:  ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসকে ফের তলব। হাজিরা এড়িয়ে ৭ দিনের সময় চেয়েছিলেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক। কিন্তু সময় না দিয়ে পরশুদিন ভবানীভবনে ফের তাঁকে তলব করে পাঠানো হয়েছে। ২০২৩ সালের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগে তাঁকে সমন পাঠানো হয়েছে।  খুনের চেষ্টা, অস্ত্র আইনে পরেশরাম দাসের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, কলকাতার নামী রেস্তোরাঁয় খাবার খেয়েও শরীরে এই উপসর্গগুলি দেখা গিয়েছে ? 'সাবধান', এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে চিকিৎসকরা, “জ্বর, বমি, মলের সঙ্গে রক্ত.."

Continues below advertisement

মূলত ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটের সময়, অশান্তির ঘটনা ঘটে। সেখানে খুনের চেষ্টা থেকে শুরু করে গুলি ছোঁড়ার ঘটনা, এমন কি অস্ত্র আইনে মামলা হয়। এই মামলার তদন্তভার দায়িত্বভার সিআইডি গ্রহণ করেছে। হাইকোর্টের নির্দেশে সিআইডি এই দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর, একটা এফআইআর রুজু করে। সেখানে ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের নাম রয়েছে। এদিকে যাব বলেও, CID-র কাছে হাজিরা দিতে গেলেন না ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক ও কালীঘাট-তৃণমূল শিবিরের নেতা পরেশরাম দাস।    শেষপর্যন্ত ভবানী ভবনে গিয়ে হাজির হওয়ার জন্য সাতদিনের সময় চেয়ে চিঠি জমা দিলেন তাঁর আইনজীবী। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক, কালীঘাট-তৃণমূলের নেতা পরেশরাম দাসের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ সামনে এসেছে। তাতে বিঘা বিঘা সরকারি জমি জবরদখল থেকে মাতলা নদীর চর-জুড়ে বেআইনি নির্মাণ, এমনকী তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে ধর্ষণের মারাত্মক অভিযোগও।

  ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়, পরেশরাম দাসের অনুগামীদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালানো, বোমাবাজি ও গুলি চালানোর মতো অভিযোগ দায়ের করেন সিরাজুল ইসলাম ঘরামি নামে এক ব্যক্তি। এই ঘটনায় গত ২১ মে FIR করার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।খুনের চেষ্টা, অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে রুজু হয় মামলা।  আদালতের নির্দেশেই এই ঘটনার  তদন্তভার নেয় CID. সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তদন্তের জন্য SIT গঠন করেছে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা। এই প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার বেলা ১২টা নাগাদ কালীঘাট-তৃণমূল শিবিরের বিধায়ক পরেশরাম দাসকে ভবানী ভবনে তলব করেছিল CID। এদিন সকাল ১১টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরোন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক। সেইসময় কার্যত হাজিরা দিতে যাওয়া এবং তদন্তে সহযোগিতার কথাই শোনা যায় তাঁর মুখে।