কলকাতা: প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর পরিকাঠামোগত বিপর্যয় রুখতে এবার রাজ্যে 'অর্জুন বাহিনী'র সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে ঘোষণা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'বিভিন্ন বিপর্যয়ে দেখেছি, না আছে প্রশিক্ষণ, না আছে আধুনিক মানের যন্ত্রপাতি। ২০২০ সালে আমফানের সময় ওড়িশা থেকে বিপর্যয় মোকাবিলা। বাহিনী এনে গাছ সরাতে হয়েছে। নেপালে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের ঘটনা দেখেছি।' এদিন অর্জুন বাহিনী গঠনের সূচনা অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা এবং বাজেটে অর্থমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী।

Continues below advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, 'জলা জমি বুজিয়ে বাড়ি তৈরি, মাটি পরীক্ষা না করে বাড়ির নকশা অনুমোদন দেখেছি। ফ্লাইওভার, ROB-র লোড ক্যাপাসিটি টেস্ট পরীক্ষা না করে করা। এখানে কিছু দরদী মানুষ আছেন, যাঁরা চান ফুটপাত দখল হয়ে যাক। পোস্তাতে ফ্লাইওভার চাপা পড়ে কতজন মারা গিয়েছিল ২০১৬ সালে? তারাতলায় বিল্ডিং ভেঙে কী অবস্থা হয়েছিল? আমরা চাই আরও প্রশিক্ষিত বাহিনী তৈরি হোক।' 

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ২০০ জনকে নিয়ে অর্জুন বাহিনী গঠন করব। ১০০ জন কলকাতায়, ৫০ জন পাহাড়ে এবং ৫০ জন কাকদ্বীপে থাকবে। দার্জিলিং, কাকদ্বীপ, দিঘায় ভবিষ্যতে নিজস্ব পরিকাঠামো তৈরি হবে। জানুয়ারিতে অগ্নিবীরের প্রথম ব্যাচ পেয়ে যাব। আগামীদিনে অগ্নিবীর ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাদেরই অর্জুন বাহিনীতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে"।                                                                

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, "পশ্চিমবঙ্গে ফ্ল্যাট কেনায় প্রচুর প্রতারণা হচ্ছে", কেন একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

বাহিনীর সদস্যদের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বীর’ এবং দলপ্রধানদের ‘বীর নায়ক’। ‘বীর’দের মাসিক সাম্মানিক ২৫,০০০ টাকা এবং ‘বীর নায়ক’দের ৪০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি বছর ৩ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট পাবেন সদস্যরা। গুরুতর দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে ১০ লক্ষ টাকা এবং অক্ষমতার ক্ষেত্রে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমা সুবিধা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।