কলকাতা :বিধানসভা নির্বাচনের আগে 'সংকল্প পত্রে' বিজেপি স্পষ্ট জানিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার এলেই চালু হবে অন্নপূর্ণা যোজনা ও আয়ুষ্মান ভারত। বাংলার মসনদে এখন বিজেপি। সরকার গঠন করেই কথা অনুযায়ী কাজ করে দেখাচ্ছে নতুন সরকার। অন্নপূর্ণা যোজনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবার আয়ুষ্মান ভারত কার্ড নিয়েও বড় ঘোষণা করলেন। পাশাপাশি যারা এই কার্ড-এর সুবিধা পাবেন না, তাঁরা কী করবেন সেই বিয়েও জানিয়ে দিলেন তিনি। 

Continues below advertisement

আয়ুষ্মান ভারত কার্ড পেতে গেলে কয়েকটি ক্রাইটেরিয়া মেনে চলতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করলেই তাঁরা এই চিকিৎসা বীমার আওতায় নিজের নাম লেখাতে পারবেন। কিন্তু যারা পাবেন না বা সব শর্ত পূরণ করতে অপারক হবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কী হবে? এই প্রশ্নের উত্তরও দিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, যারা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধে পাবেন না, তাঁরা 'মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা'র সুবিধে পাবেন। আয়ুষ্মান ভারতের মতোই সুবিধা পাবেন তাঁরাও।                                                                   

রাজ্যবাসীর স্বাস্থ্যবিমা নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আয়ুষ্মানের মতো, শুক্রবার রেজিনগরে জনসভা থেকে ৫ লক্ষ টাকার 'মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা' চালুর ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি জানান, '' যাঁরা আয়ুষ্মানের সুবিধা পাবেন না, তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা পাবেন। এই প্রকল্পে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাওয়া যাবে। আয়ুষ্মানের মতো সংশ্লিষ্ট বিমার সুবিধাও সারা ভারতে মিলবে। যে কোনও হাসপাতালে চিকিৎসার সুবিধা মিলবে।' 

Continues below advertisement

রাজ্য জুড়ে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির কাজ চলছে। জেলায় জেলায় ফর্ম পূরণ করছেন সাধারণ নাগরিক। তবে এই 'এই কার্ডের সুবিধা শুধুমাত্র যে এই রাজ্যে প্রযোজ্য নয় তা নিয়েও জানান শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা সারা ভারতে যাতে পাওয়া যায় সে ব্যাপারে নিশ্চিত করবে রাজ্য সরকার, এমনই আশ্বাস দেন।           

কারা পাবেন ?মূলত, আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলি সরকারি এবং তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে ক্যাশলেস চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। ভূমিহীন, দিনমজুর পরিবার, তফসিলি জাতি এবং জনজাতিভুক্ত পরিবার, যাদের কাঁচাবাড়ি কিংবা এক কামরার বাড়ি আছে, যে পরিবারে ১৬ থেকে ৫৯ বছর বয়সি কোনও রোজগেরে পুরুষ সদস্য নেই, তারা এই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।