কলকাতা: আকাশপথে একাধিক প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। সবং ও আরামবাগে প্রশাসনিক আধিকারিক ও জন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। জলমগ্ন এলাকায় মানুষের সাহায্যে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আকাশপথে ঘাটাল, আরামবাগ, সবংয়ের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি।সবংয়ের বিডিও অফিসে পর্যালোচনা বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরে মৃত ২জনের পরিবারকে ৯ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে। এই প্লাবনের জেরে যে ৩২টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের ৩০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, আপনি SBI-এর গ্রাহক ? নগদ টাকা তোলায় বড় পরিবর্তন আসছে, খেয়াল করেছেন ?

Continues below advertisement

"আজ থেকে প্রধানমন্ত্রী শস্যবীমার ক্যাম্প করা হচ্ছে..."

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে বন্যার কারণে দুইজন মারা গিয়েছে। তাঁদেরকে আমাদের সিআরএফ থেকে ৪ লাখ এবং সিএম রিলিফ ফান্ড থেকে ৫ লাখ, মোট ৯ লাখ করে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। আর ইতিমধ্যেই এই ব্লকে ১১ হাজার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ির কাজ চলছে। একটা , আগের সরকার দিয়ে গিয়েছিল, ৬০ হাজার করে, আমরা রিসেন্ট ওদের আরও ৬০ হাজার দিয়েছি। আরও ১৩ হাজার বাড়ি হবে। টাকা পেয়ে বাড়ি তৈরি করতে সময় লাগবে। যে ৩ হাজার ২০০ বাড়ি ড্যামেজ হয়েছে, সবং ব্লকে প্রাথমিকভাবে, তাঁদের প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে পার ড্যামেজের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ থেকে প্রধানমন্ত্রী শস্যবীমার ক্যাম্প করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ ধানচাষীরা সেখানে নাম লেখাতে পারবেন। মাদুর কাঠিটা ইন্সোরেন্স স্কিমের মধ্যে নেই। তাঁদের জন্য আলাদা কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি নির্দেশ দিয়েছি। সেই ব্যবস্থা হবে। কেলেঘাইয়ের জল যেটা বিপদসীমার উপরে বইছিল, সেটা এখন আন্ডার কন্ট্রোল। এখানে সব বিডিওরা ছিলেন। মোট, ১০ টা স্নেক বাইটের কেস এসেছে। প্রত্যেককে বাঁচিয়ে ফিরে দিতে পেরেছে। হেলথ ডিপার্টমেন্ট ভাল কাজ করেছে। ..পুলিশকে আলাদা করে টাকা দেওয়া হয়েছে, তাঁরা যাতে জলবন্দিদের বাড়িতে রেশন এবং ২০ লিটারের পানীয় জলের জার পৌঁছে দিতে পারে। সেই কাজগুলি তাঁরা করছে। আমি আকাশপথে পুরো ৫ টা গ্রাম পঞ্চায়েত দেখেছি। আর এখানে রিভিউ করে যা নির্দেশ দেওয়া দিলাম।’

“জ্য়োতি বসুর পর আর কোনও মুখ্যমন্ত্রী এখানে আসেননি..”

তিনি আরও বলেন,’ এখানে এরা বলছিল, ১৯৮৬ সালে জ্যোতিবাবু (রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতি বসু) এসেছিলেন। তারপরে এখানে কোনও মুখ্যমন্ত্রী আসেননি। আর কী করা যাবে, আগের মুখ্যমন্ত্রীরা, গ্রামের মানুষকে মানুষ বলে মনে করতেন না। আর আমার সঙ্গে তো গ্রামের মানুষের নাড়ির টান। গ্রাম আমার শুরু, গ্রামই আমার শেষ।’