কলকাতা:বিধবা ভাতা-বার্ধক্য ভাতা বাড়ছে, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।  তিনি বলেন, 'জনকল্যাণ শিবিরে যারা অ্যাপ্লাই করেছিলেন, তাঁদেরকে নতুন বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এবং এটা ২ হাজার পরে করেও দেবো।’ বিধবা ভাতা নিয়েও বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, “যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে”, বড় বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ‘নাম-ঠিকানা’ সংগ্রহ নিয়ে কী বললেন ?

Continues below advertisement

“আগের সরকারের কাছে করা অ্যাপ্লিকেশনগুলি আমি নিইনি, জনকল্যাণ শিবিরে যারা অ্যাপ্লাই করেছিলেন…”

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা আয়ুষ্মান ভারতে সব সাংবাদিককে যুক্ত করব। যদি কেউ ক্রাইটেরিয়াতে আটকে যায়, মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমাতে অন্তর্ভুক্ত করে দেব। আমি কন্যাশ্রীর নাম চেঞ্জ করেছি। কন্যারত্ন করেছি। আগের সরকার ১ হাজার টাকা করে দিত, এবং এবারে ২০ লক্ষ ১৩ হাজার মেয়েকে ১ হাজার টাকা করে দিয়েছি।.. আগের সরকার ৬০ হাজার করে দিয়ে গিয়েছিল বাড়ির জন্য প্রথম কিস্তি। আমি এসে দ্বিতীয় কিস্তি দিয়ে দিয়েছি। আগের সরকার ভারত সরকারের ৮০০ টাকা এবং নিজেদের ২০০ টাকা দিয়ে, ১ হাজার টাকা বার্ধক্য- বিধবা এবং প্রতিবন্দী ভাতা দিত।আমি তাঁদের আপ টু ডেট করে দিয়েছি। জুলাই পর্যন্ত এবং অগাস্ট পর্যন্ত তাঁরা,  দেড় হাজার টাকা করে পাবেন। আমাদের কমিটমেন্ট ছিল ২ হাজার টাকা, সেটা আমরা করব। আগের সরকারের কাছে করা অ্যাপ্লিকেশনগুলি আমি নিইনি। আমার কাছে করা অ্যাপ্লিকেশনগুলি আমি নিচ্ছি। তাতে আপনার সরকার, আপনার পাশে, প্রচুর অ্যাপলিকেশন আসছে। এখানে সব এখনও ব্যাক অফিস ঠিকঠাক হয়নি। প্রচুর স্ক্রুটিনি..লাখ লাখ পিটিশন শর্টিং হচ্ছে। জনকল্যাণ শিবিরে যারা অ্যাপ্লাই করেছিলেন, তাঁদেরকে নতুন বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এবং এটা ২ হাজার পরে করেও দেবো।’

ফের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে পূর্বতন সরকারকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর 

এরপর ফের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে নিশানা করেন পূর্বতন সরকারকে । মুখ্যমন্ত্রী বলেন,  '...প্রথম...,প্রায় ৯ মাস পরে ওই ৫০০ টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করে। প্রথম তাঁরা ২৪ সাল অবধি দিয়েছে ১ কোটি ৫২ লক্ষ লোককে। তার মধ্যে ৩ লাখ পুরুষ ছিল।  যাদের পাওয়ার কথা নয়। তারপরে এসআইআর হয়েছে। অনেক নাম বাদ গিয়েছে। অভারতীয়দের টাকা দিতে পারি না। অবৈধ কাজ। জেলে যাওয়ার মতো দোষ', কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর।