কলকাতা : তারাতলা বিপর্যয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮ জনের চিকিৎসা চলছে। এখনও ১৮ জন ভেতরে আটকে রয়েছেন বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিছুক্ষণ আগেই তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "ভাল কাজ হচ্ছে। একদম NDRF, সেনা, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, পুলিশ, দমকল, KMC সবাই একযোগে খুব ভাল কাজ করছে। এখনও পর্যন্ত ২১ জনকে উদ্ধার করা গেছে। তিনজন মৃত। বাকি ১৮ জন জীবিত আছেন। এসএসকেএম কাজ করছে। সব মন্ত্রী লক্ষ্য রাখছেন। সেনা ও এনডিআরএফ খুব সন্তোষজনকভাবে কাজ করছে। প্রশাসন কাজ করছে। এখনও ১৮ জন ভেতরে আছে। যোগাযোগ হয়ে গেছে সেনা ও এনডিআরএফের সঙ্গে।" এদিকে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ইতিমধ্যেই লোহার বিম কেটে ভেতরে ঢুকেছেন। স্ট্রেচার রেডি রাখা রয়েছে। কোথাও কোনও আওয়াজ শোনা গেলেই সেখানে পৌঁছে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। সঙ্গে সঙ্গে আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সে করে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "প্রথমেই আমি ধন্যবাদ জানাব আমাদের সিভিল ডিফেন্স, কলকাতা পুলিশ এবং ফায়ার ব্রিগেডকে। তাঁরা যদি স্থানীয় মানুষদের নিয়ে দ্রুত উদ্ধার না করতেন, তাহলে এই মৃত্যুর সংখ্যাটা অনেক লম্বা হত। কলকাতা তথা রাজ্যের ক্ষেত্রে একটা অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা হত। আমরা ধন্যবাদ জানাব আমাদের এই জোনের আর্মির যিনি দায়িত্বে আছেন এনডিআরএফের, আমার সঙ্গে ২টো ৩০ মিনিট নাগাদ মুখ্যসচিবের যখন কথা হয়, তখনই আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে দেরি না করে আমরা সেনাকে কল করব। প্রসেস কমপ্লিট হওয়ার আগেই তারা সেনা এবং এনডিআরএফকে পাঠিয়ে দেন। এক ঘণ্টার মধ্যে...তারা ৩টে ১৫-২০ মিনিট থেকে পুরো উদ্ধার কাজে হাত লাগান। এখন অবধি মোট ২১ জনকে উদ্ধার করা গেছে। ১৮ জন অসুস্থ অবস্থায় অর্থাৎ জীবিত উদ্ধার হয়েছেন। কিছুজনের চিকিৎসা এসএসকেএমে হচ্ছে। ওখানে স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এবং স্বাস্থ্য সচিবের নেতৃত্বে টিম কাজ করছে। সিএমওএইচ দক্ষিণ ২৪ পরগনার নেতৃত্বে ২০টি অ্যাম্বুলেন্স প্রতিনিয়ত ওখানে কাজ করছে এবং গ্রিন চ্যানেল করে কলকাতা পুলিশ তাঁদের পৌঁছে দিচ্ছে। অর্থাৎ, একসঙ্গে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় যে কাজ দরকার, আমরা সেটাকে অগ্রাধিকার দিয়েছি।" CM Suvendu Adhikari at Taratala
