কলকাতা: অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গতকাল পর্যন্ত, ৫০ লক্ষ মা-বোন-দিদিকে, ৩ হাজার টাকা করে ট্রান্সফার করে দিয়েছি। প্রথম দিনই আমরা ২৮ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৬৯ জনকে দিয়েছি। এটা আমাদের সবচেয়ে বড় অ্যাচিভমেন্ট। এবং এখানে ফর্মে প্রথমে সমালোচনা হয়েছিল দু-তিন দিন। কিন্তু পরে সবাই বুঝেছেন, সরকারের টাকা, জণগনের টাকা, ট্যাক্সের টাকা এভাবে জলে ফেলা যায় না।’
আরও পড়ুন, কত অনুপ্রবেশকারীকে ওপারে পাঠানো হয়েছে ? হোল্ডিং সেন্টারে এখন রয়েছে কতজন ? বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও একটি বিষয়ে সামনে তুলে ধরেন। বলেন,’ ২ কোটি ২০ লক্ষ লোককে আগের সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিতেন। তার মধ্যে আমরা ধরেছি, ২৭ লক্ষ এমন লোকের নাম ছিল, যাদের ভোটার লিস্টে নাম নেই। কেবল মাত্র সিএএ-তে অ্যাপ্লাই করেছেন, ১ লক্ষ ২১ হাজার এখনও অবধি। ১৯ হাজার সার্টিফিকেট পেয়েছেন। ১ লক্ষ ২ হাজার ,সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় আছেন। আমরা তাঁদেরও আমাদের দিক থেকে, কেন্দ্রীয় সরকারকে সাথে নিয়ে ক্লিয়ার করব। আমরা তাঁদের বাদ দিয়ে ২৭ লক্ষ ভোটার নয়, এমন নাম পেয়েছি। আর শুনলে অবাক হয়ে যাবেন, ৩ লক্ষ পুরুষ পাওয়া গিয়েছে, যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেয়েছেন।এর সুফল আগামী ৫০ বছর এ রাজ্যে, সরকার পাবে। আমরা ডাটা ব্যাঙ্ক তৈরি করে এনেছি। ভাবলে অবাক হবে, বিধবাভাতাও পুরুষদের দিয়ে দিয়েছে। এ যেখানে হাত দেওয়া হয়েছে, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডকে জেল বানাতে ববে।’
সম্প্রতি 'ফলস অ্যাকাউন্ট' নিয়ে প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ,' যেখানে মহিলারা নয়, পুরুষরা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা নিচ্ছে। এটা অনেক বড় সংখ্যা হবে। এবং আরও আমরা তদন্তের গতি পুলিশকে বাড়াতে বলেছি। ২২ টা অ্যাকাউন্টের মধ্যে একটা অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক করা রয়েছে রাকিবুল শেখের সঙ্গে। মুস্তাফিজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী-এরা লক্ষ্মীভাণ্ডারের ১৫ টা অ্যাকাউন্ট চালাচ্ছেন এবং ৬ অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেছে তারিকুল রহমানের।' তিনি বলেন,' যারা মহিলা নন, বা এই কর্মসূচির আওতায় আসেন না, তাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার লুঠ করেছেন, সেটা আমরা পেয়েছি, আমরা কাউকে ছাড়ব না। ..আমরা হিসেব করে দেখেছি, এসআইআর-এ নাম বাদ যাওয়া, এবং এই রাকিবুল, মুস্তাফিজুর , তারিকুলরা মিলে অন্তত ৩০ লক্ষ ফলস লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা তুলেছেন। '
