কলকাতা: স্বাস্থ্যভবনে মুখ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, 'দালালরাজ-মুক্ত করতে হবে হাসপাতালগুলিকে। সঠিক পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে,স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম থেকে চলবে নজরদারি। নিউটাউনে আদানি গ্রুপ আন্তর্জাতিক হাসপাতাল তৈরি করছে। ২০০০ বেডের আন্তর্জাতিক হাসপাতাল তৈরি করছে আদানি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই হাসপাতালের উদ্বোধন হবে।'

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, বারুইপুরকাণ্ডে পুলিশি এনকাউন্টারে ধৃতর মৃত্যু, এনকাউন্টার-তদন্তে এবার CID

Continues below advertisement

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ..সেখানে দেখে এসেছিলাম, কন্ট্রোল রুম। সমস্ত সাব ডিভিশন হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ, রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে সরাসরি মনিটারিং হচ্ছিল। পরিষ্কার হল কিনা, ইমারজেন্সিতে রোগী পড়ে আছে কিনা, আউটডোরে ব্রোকার আছে কিনা, হাসপাতালের স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ঠিক আছে কিনা, গার্বেজ ক্লিনিং আছে কিনা, এই সব জিনিসগুলি আমি ওখানে দেখে এসেছি। আমি মাননীয় রাজ্য মন্ত্রী এবং প্রধানসচিবকে বলেছিলাম, এখানে এরকম বানান। এটা পুরোটা এখনও রেডি হয়নি। ইট উইল টেক টাইম।আরও একমাস লাগবে। আজকে ১৫-১৬টা স্টেট হাসপাতাল, পাশাপাশি জেলার দুই একটা হাসপাতালে, ওরা করেছেন। আমি কিছু সাজেশন দিয়ে গিয়েছি। মাননীয় মন্ত্রী, প্রধান সচিব নোট করেছেন। আমি এটাকে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে বলেছি, সাব ডিভিশন লেভেলে নামিয়ে দিতে। এবং কিচেন পর্যন্ত মনিটারিং করতে।..আগামীদিনে জনৈষধি কেন্দ্র হবে…ওয়ার্ডের ভিতরে কিছু রেস্ট্রিকশন রয়েছে হেল্প গাইডলাইনে। রোগীদের দেখানো যায় না। মেঝে পরিষ্কার আছে কিনা দেখানো, বা আমাদের ইমারজেন্সিতে কোনও রোগী পড়ে আছে কিনা, হাসপাতালের যে পরিবেশ এবং যে পরিষেবা, এই দুটো ঠিকঠাক করার জন্যই, মনিটারিং দরকার আছে। এটা তারা করতে পারবেন।'

তিনি আরও বলেন, ‘তারাতলার ঘটনা দেখার পরে, আমি যেটা জোর দিতে বলেছি, এখানে ট্রমা সেন্টার ( ট্রমা কেয়ার ইউনিট) দরকার…বলতে নেই, বড় বিপর্যয় হয়ে গেলে, সামলানোর ক্ষমতা সরকারি হাসপাতালের নেই। ৫০ -১০০ জন অবধি সামলে নিতে পারে। আমি দেখেছি। তাই অন্তত, ২৫০ জনকে,  ১ মিনিটে প্রাইমারি পরিষেবা দিতে পারে, এমন একটা ট্রমা সেন্টার বানানো উচিত। সেটা স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং প্রধানসচিব তাঁরা, রাজ্য মন্ত্রী কথা বলে রেডি করবেন। জায়গা এনাফ আছে।এখানে হাসপাতালগুলিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গা পড়ে রয়েছে।আমি বলে এই যে কাগজ পেতে, কাপড় পেতে ব্যাগ মাথায় দিয়ে শুয়ে থাকেন, এদের হোটেলে থাকার পয়সা নেই বলে করেন। নিরুপায়। তা আপনারা পিছনে একটা জায়গা করে দিন।  আমরা দরকার হলে, ইউনিটে ২৫ লাখ টাকা করে দিয়ে দেব। …বার্ণ ইউনিটে , আমরা একটু উইক আছি। এসএসকেএম-এ ৬০ টা আছে। কিন্তু আরও কোয়ালিটি ইমপ্রুভ করতে হবে। এই কিছু কিছু বিষয়ে, এই দেড় দুই মাসে আমার যা অভিজ্ঞতা আছে, বলেছি। ‘