কৌশিক গাঁতাইত, পশ্চিম বর্ধমান: কয়লা-পাচার মামলায় আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি-অফিসে ED-র অভিযান ঘিরে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। ED-র দাবি, আইপ্যাকও হাওয়ালা টাকার সঙ্গে জড়িত। আর এই কয়লাকাণ্ডে তোলপাড়ের মধ্যেই কয়লা চুরি করতে গিয়ে মৃত্যু হল।
জানা গিয়েছে, কুলটিতে কয়লা চুরি করতে গিয়ে ধস নামে খনিতেই। যার জেরে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, খোলামুখ খনিতে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই খনিতে কয়লা চুরি করতে গিয়ে আরও কয়েকজনের আটকে থাকার আশঙ্কাও রয়েছে।
ঠিক কী ঘটেছে?
খোলামুখ খনি থেকে বেআইনিভাবে কয়লা চুরি করতে গিয়ে ধস। এই ধসে বেশ কয়েকজনের চাপা পড়ার আশঙ্কা। আসানসোলের কুলটি থানার বড়িরা এলাকার ঘটনা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলেই বিসিসিএল কতৃপক্ষ এবং কুলটি থানার পুলিশ পৌঁছয়। বিসিসিএলের তরফে জেসিবি দিয়ে উদ্ধার কাজ চালানো হচ্ছে। এই ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই হতেই এলাকার মানুষ ভিড় জমায়। এই ঘটনায় এলাকার চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। যদিও পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে বিসিসিএলের খোলামুখ খনিতে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিসিসিএলের তরফে উদ্ধার কাজ চলছে।
স্থানীয় সূত্রে দাবি, রাতের অন্ধকারে এই সব অবৈধ খাদান থেকে কয়লা তুলে বাইক, সাইকেল, গরুর গাড়িতে করে তা পাচার করা হয়। গত বছরই এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল। তবে সেটি ছিল দুর্ঘটনা। কয়লা খনিতে আচমকা জল ঢুকে মৃত্যু হয়েছিল এক শ্রমিকের। অন্ডালের শ্যামসুন্দর কোলিয়ারির ঘটনাটি। কয়লা কাটার কাজ চলাকালীন আচমকা জল ঢুকে যায় খনিতে, দাবি স্থানীয়দের। সেখানেই মৃত্যু ECL-এর বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদারি সংস্থার ১ শ্রমিকের। গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল চারজনকে।