কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতর বিধান ভবনে উত্তেজনা। কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে আজ কলকাতা পুরসভার ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর আজ পৌঁছে যান বিধান ভবনে। আর সেই সময়ই উত্তেজনা ছড়ায় ওই এলাকায়।
আরও পড়ুন: মেট্রোয় ‘How to Kill Men’ বই পড়ছিলেন এক মহিলা, মুহূর্তে ভাইরাল সেই ভিডিও!
তৃণমূল ছেড়ে আজ কংগ্রেসে যোগ দিতে আসেন প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর রেহনা খাতুন। কংগ্রেস কর্মীদের অভিযোগ ওই প্রাক্তন কাউন্সিলর দুর্নীতিগ্রস্ত। তৃণমূলের ওই প্রাক্তন কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ডিমও।
বিধান ভবনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতিবাদে ডিমও ছোড়া হয়। কংগ্রেস কর্মীরা বলছেন রেহনা খাতুনকে তাঁরা কংগ্রেসে যোগ দিতে দেবেন না। যাঁরা এতদিন ধরে কংগ্রেসের উপর অত্যাচার করেছে, তাদের কোনও ভাবে কংগ্রেসে যোগ দিতে দেবেন না বলেন কংগ্রেস কর্মীরা।
কংগ্রেস কর্মীরা বিধান ভবনের গেট আটকে যেমন দাঁড়িয়ে, তেমনই তাঁরা দাবি করতে থাকেন, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিকেও কথা বলতে হবে তাঁদের সঙ্গে। এক কংগ্রেস কর্মী বলেন, "ও আজ কংগ্রেসে যোগ দিতে আসছে। ও একসময় কংগ্রেসের পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছে। আজ সে কংগ্রেসে যোগ দেবে? আমাদের রেহনা খাতুনকে প্রয়োজন নেই। চোর চোট্টাদের আমাদের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র টিকিটের লোভে আসছে। তৃণমূল আর সিপিএমে তো হবে না এই সব। সেই জন্যই কংগ্রেস।"
এদিকে আবার তৃণমূল ভবন কার দখলে থাকবে তা নিয়ে দফায় দফায় তৈরি হল উত্তেজনার পরিস্থিতি। মেট্রোপলিটনের তৃণমূল ভবনের কার্যত 'দখল' নিল 'ঋতব্রত তৃণমূল'। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও একাধিক বিধায়ক এসে পৌঁছলেন মেট্রোপলিটনের ওই বাড়িতে। এলেন সন্দীপন সাহা, ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ খান, আখরুজ্জামান, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক বিধায়ক।
আবার সন্ধে ৭ টার দিকে তৃণমূল ভবনে এসে পৌঁছলেন কুণাল ঘোষ। তিনি গাড়ি থেকে নামতেই তাঁকে ঘিরে ধরেন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা। সেখানে কুণাল ঘোষ এসে কথা বলেন তৃণমূল ভবনের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সঙ্গে। কুণাল ঘোষ ছাড়াও জয়া দত্ত, উপাসনা চৌধুরীর মতো তৃণমূল নেতা ও নেত্রীরা ছিলেন এখানে। আসেন বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও। তাঁরা সমস্ত বিষয়টা নিয়ে সেখানেই আলোচনা করেন। কুণাল ঘোষ বলেন, তাঁরা নিজেরা একটু কথা বলে, তারপর নেতৃত্বের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলবেন।
