শুভেন্দু ভট্টাচার্য, দিনহাটা: ৮৯ লক্ষ টাকা মূল্য়ের সোনার বিস্কুট সমেত পুলিশের জালে ধরা পড়লেন এক ব্য়ক্তি। ঘটনাস্থল কোচবিহারের(Cooch Behar) দিনহাটা-সাহেবগঞ্জ(Dinhata) রোডের ফকিরটারি এলাকা। ধৃতের নাম রেজাউল করিম। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর বাড়ি সীমান্তবর্তী চৌধুরীহাট এলাকায়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে, তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করেছে পাঁচটি সোনার বিস্কুট। যার ওজন প্রায় ৫৪১ গ্রাম, আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৯ লক্ষ টাকা। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা সোনা পাচারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেগুলি। পুরো বিষয়টির তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

Continues below advertisement

এর আগে মাসের শুরুতে ভুটান থেকে ভারতে পাচার হওয়া ১২০ গ্রাম সোনা উদ্ধার করল আলিপুরদুয়ার জেলার জয়গাঁও পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ভুটান গেট সংলগ্ন একটি গয়নার দোকান থেকে ১২০ গ্রাম সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ২০ লক্ষ টাকাও। ভুটান থেকে অবৈধভাবে সোনা এনে জয়গাঁওয়ে বিক্রির চেষ্টা চলছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে দু’জন ভারতীয় নাগরিক, একজন ভুটানের নাগরিক। এর আগেও ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৭.৪ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ সোনার বিস্কুটসহ এক বাংলাদেশি পাচারকারী আটক হয়েছে।

Continues below advertisement

গতকালই নন্দীগ্রামের একটি খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। সেখানে পুলিশের বিরাট সাফল্য মিলেছিল সেখান থেকে। বাড়িতে চুরির ঘটনার তদন্তে নেমেছিল পুলিশ। সেখান থেকেই ৮ লক্ষ টাকার সোনার গয়না সহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের মধ্য়ে আবার একজন নাবালিকাও রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছিল গত ২৪ জুলাই। নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের আমদাবাদ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কমনপুর গ্রামের এক বাসিন্দার বাড়ি থেকে চুরি হয়েছিল। চুরির খবর মেলার পর থেকেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। তদন্তে নেমে নন্দীগ্রাম থানার আইসি অজয় কুমার মিশ্রের নেতৃত্বে পুলিশ এই ঘটনায় বড়সড় সাফল্য পায় মঙ্গলবার। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চুরি যাওয়া প্রায় ৮ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না উদ্ধার করা হয়েছিল। এই ঘটনায় মোট ৩ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। নাবালিকা যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাকে আইন মেনে আদালতের নির্দশে হোমে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এভাবে চুরির ঘটনায় কীভাবে সে সামিল হল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না তাও দেখা হচ্ছে।