কলকাতা : বঙ্গ রাজনীতিতে এখন নতুন ট্রেন্ড 'ডিম থেরাপি'। শুরু হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়ে, তারপর থেকে একের পর এক ছোটো বড় নেতাদের ডিম বৃষ্টি উপহার দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। দুর্নীতির অপরাধে তৃণমূলের নেতারা ধরা পড়তেই 'ডিমের মার' জুটছে কপালে। ক্ষুব্ধ জনতা অপেক্ষায় থাকেন কখন এভাবে সবক শেখাবেন। কিন্তু তৃণমূলের পর এবার এই তালিকায় ঢুকে পড়ল সিপিএমও। শীতলকুচিতে ডিম ছোড়া হল সিপিএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। 

Continues below advertisement

তৃণমূলের পর এবার ডিম থেরাপি সিপিএম-এর উপর। সিপিএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম ছুঁড়ল জনতা। শীতলকুচিতে এক সিপিএম কর্মীর রহস্যমৃত্যু হয়। কয়েক দিন আগে ওই এলাকায় মন্টু মিঞার নদী থেকে দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি, তাঁকে খুন করা হয়েছে। মৃতের বাড়িতেই দেখা করতে যান মীনাক্ষী। পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরে ফেরার সময়ই হামলার অভিযোগ ওঠে। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন সিপিএম নেত্রী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।                 

রাজ্যে বিরোধী নেতাদের ঘিরে ‘ডিম থেরাপি’ বিতর্কের আবহে এবার কোচবিহারের শীতলখুচিতে ডিম আক্রমণের মুখে পড়লেন সিপিআইএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। গোটা ঘটনাটি তিনি তাঁর ফোনে রেকর্ড করেন। তিনি ক্ষুব্ধ জনতাকে জিজ্ঞাসা করেন তাঁর দোষ কোথায় ? তিনি গাড়ির ভেতর থেকে বলেন যারা এই কাজটি করেছেন তাঁদের এখুনি গ্রেফতার করতে হবে। একটি ভিডিও বার্তায় সিপিএম নেত্রী জানান, ''মন্টু মিঞা, সে খুন হয়েছে, তার পরিবারের আশঙ্কা। এই শীতলকুচি থানা, যবে থেকে তার মৃতদেহ পাওয়া গেছে, তার অভিযোগ নেয়নি। কীভাবে ময়নাতদন্ত হয়েছে তার ঠিক নেই। গতকাল সারাদিন যখন আমাদের উকিলরা, কমরেডরা থেকে যখন ফিরে গেছে , যখন আমরা তদারকি শুরু করেছি তখন অভিযোগ নিয়েছে। একই জায়গাতে একটি পরিযায়ী শ্রমিক, মুম্বাইতে থাকে, মারা গেছে ৩ তলা থেকে পড়ে। তার পরিবারের দাবি, যারা নিয়ে গিয়েছিল, যাদের সঙ্গে কাজ করত, কেউ ফোন ধরছেন না, কিছু করছেন না। একটা লাশের জন্য অসহায় মা-বাবা বাড়ির উঠোনে অপেক্ষা করছে। SIR-এ লক্ষ লক্ষ মানসূহের নাম বাদ আছে, চাষীদের সমস্যা, সবকিছু নিয়ে আমাদের আজ DM ঘেরাও আছে। ডেপুটেশন আছে। তার মাঝখানে বিজেপির এই অসভ্যতামি। একে পশ্চিমবঙ্গের শাসন বলে?''

Continues below advertisement