কলকাতা: নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) আগেই DA দিতে তৎপর রাজ্য সরকার (West Bengal Government)। সূত্রের খবর, এখনও SOP না দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সব দফতরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের (West Bengal Government) তরফে। জানা গিয়েছে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে সব দফতরকে SOP জমা করার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ দফতর। সূত্রের খবর, অবলম্বে SOP জমা দতে নির্দেশ দিয়েছে অর্থ দফতর। 

Continues below advertisement

সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের রাজ্য কমিটির সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, নবান্ন জানিয়েছে তারা SOP চেয়েছে ভাল কথা। যদিও তাঁর কথায়, এই পুরো ব্যাপারটাকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ সময় নষ্ট বলেই মনে করছে। চন্দন চট্টোপাধ্যায়ের বলছেন, "প্রত্যেকটা দফতরের (West Bengal Government) কাছেই তাদের কর্মচারীর তথ্য রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই তো প্রতি মাসে বেতন হয়। ওঁদের কাছে সব তথ্য রয়েছে।" এই পুরো ঘটনাকে নাটক বলেও কটাক্ষ করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের রাজ্য কমিটির সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "এটা শুধুমাত্র নাটক করছে। ওরা সময় নষ্ট করছে। এর প্রতিবাদে আমরা কালীঘাট অভিযানের ডাক দিয়েছি। আর সেই কারণেই নবান্ন SOP -এর ব্যাপারটা দেখাতে চেয়েছে।"

নবান্নে (West Bengal Government) যাঁরা বসে রয়েছেন তাঁরা ভাবেন মাস্টার মশাইরা কিছুই বোঝেন না, বলছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের রাজ্য কমিটির সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায়। "আসলে নবান্নে যাঁরা বসে রয়েছেন তাঁরা ভাবেন যে মাস্টার মশাইরা, যাঁরা গ্র্যান্ট ইন এড -এ বেতন পান, সেই সব শিক্ষক, শিক্ষকর্মী ও বাকি কর্মচারীরা কিছু বোঝে না। কিন্তু ওঁরা ভুলে গিয়েছেন, নবান্নে যে আধিকারিক হয়ে বসেছেন, কোনও না কোনও শিক্ষক মহাশয়ের কাছ থেকে পড়াটা আপনি শিখেছেন। এবং শিক্ষা অর্জন করে তবেই আপনি ওখানে বসার যোগ্যতাটা অর্জন করেছেন", বলছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের রাজ্য কমিটির সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায়।

Continues below advertisement

এই পুরো ব্যাপারটাকে ভাঁওতা বলেও দগিয়ে দিচ্ছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের রাজ্য কমিটির সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলছেন, "ধাপ্পা শিল্পের নতুন আরও একটা ধাপ্পা তৈরি হচ্ছে এই সরকারের আমলে।" সরকার ভয় পেয়েছে বলেও দাবি করেন চন্দন বাবু। তিনি বলেন, "সরকার (West Bengal Government) ভয় পেয়েছে। তাই সরকার চাইছে সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে গ্র্যান্ট ইন এড -টা ভাগ করে দিতে।"