কলকাতা: DA-প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের। তিনি বলেন,'DA-এর প্রতিশ্রুতি আমরা অনেকদিন শুনেছি মুখ্যমন্ত্রীর মুখ থেকে। কোর্ট বারবার বলা সত্বেও মুখ্যমন্ত্রী DA দেননি। এখন যত চাপ বাড়ছে নির্বাচনে জেতা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। সরকারি কর্মচারী থেকে স্কুল টিচার, এসএসসি পাস আউট সবাই যেভাবে বিরোধিতা শুরু করেছে। বাংলার মানুষ চাইছে পরিবর্তন হোক। ওনার সরকার থাকবে কিনা ঠিক নেই, তখন কে দেবে।'
আরও পড়ুন, এর আগে কাতলা মাছ নিয়ে প্রচারে বেরিয়েছিলেন, রবিবাসরীয় সকালে ফের কোন নতুন চমক BJP প্রার্থী শারদ্বতর ?
মূলত, রাজ্য সরকারি কর্মীদের ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বকেয়া DA মিলবে এক কিস্তিতেই। ৩১ মার্চের মধ্যেই মিলবে টাকা।DA নিয়ে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি দিল রাজ্য সরকার। আগের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বকেয়া DA দুই কিস্তিতে দেওয়া হবে। মার্চ ও সেপ্টেম্বরে দুই কিস্তিতে ৪ বছরের বকেয়া DA দেওয়ার ঘোষণা করে রাজ্য। বলা হয়, গ্রুপ D ও পেনশনভোগীদের টাকা ঢুকবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। তবে যাঁরা গ্রুপ A, B ও C পদমর্যাদার সরকারি কর্মী, তাঁরা GPF-র মাধ্যম DA পাবেন। একই নিয়মে বকেয়া DA পাবেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পঞ্চায়েত বা পুরকর্মীরাও। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বকেয়া DA মিলবে এক কিস্তিতেই। তবে ২০০৮ এপ্রিল থেকে ২০১৫-র ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া DA কবে দেওয়া হবে, এখনও ঘোষণা হয়নি।
৫ ফেব্রুয়ারি DA-মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্টে বলেছিল ২০০৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বকেয়া DA-র ২৫% অবিলম্বে মিটিয়ে দিতে হবে। এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে বলা হয়েছিল, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এই কমিটি ঠিক করবে। মোট কত টাকা বকেয়া রয়েছে ২৫% বকেয়া DA মেটানোর পর, বাকি টাকা কীভাবে, কখন বা ক'টি কিস্তিতে দেওয়া হবে সেটাও ঠিক করবে এই কমিটি। ৬ মার্চের মধ্যে কমিটিকে সেটা ঠিক করতে হবে। ৩১ মার্চের মধ্যে বাকি বকেয়া টাকার প্রথম কিস্তি দিয়ে দিতে হবে। ২০০৮ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত যে বকেয়া DA আছে, সেটা কবে কীভাবে মিলবে ? 'কোর্ট নিযুক্ত কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে ঘোষণা করা হবে', উল্লিখিত সময়ের বকেয়া DA নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে এর আগে জানিয়েছিল রাজ্য সরকার।
