কলকাতা: আরও বাড়ল রাজ্যের ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। আক্রান্ত হলেন সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষ। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্য়া পার করল ৪০০. স্বাস্থ্য় দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ মুর্শিদাবাদে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। তিন নম্বরে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা।
স্বাস্থ্য় দফতরের নির্দেশিকার মধ্য়েই সামনে এল উদ্বেগজনক পরিসংখ্য়ান
বর্ষায় ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি। রাজ্য়ে আর বাড়ল আক্রান্তের সংখ্য়া। স্বাস্থ্য় দফতরের নির্দেশিকার মধ্য়েই সামনে এল উদ্বেগজনক পরিসংখ্য়ান।স্বাস্থ্য় দফতর সূত্রে দাবি, রাজ্য়ে আক্রান্তের সংখ্য়া ছাড়িয়েছে সাড়ে চার হাজার। চিন্তার বিষয়, সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে কলকাতা। স্বাস্থ্য় দফতরের পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী,দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি। জেলার মধ্য়ে সর্বাধিক সংক্রমণ হয়েছে মুর্শিদাবাদে। ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭০জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪০২জন। উত্তর ২৪ পরগনার ক্ষেত্রে সংখ্য়াটা ৩৪৬, মালদায় ৩৩১, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩২৪, নদিয়ায় ৩১৬, হুগলিতে ২৯৩, হাওড়ায় ২৭৬, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে যথাক্রমে ২৩৩ ও ১৪০।
কোন জেলায় কত জন ডেঙ্গি আক্রান্ত ?
মুর্শিদাবাদে আক্রান্ত - ৮৭০কলকাতা - ৪০২উত্তর ২৪ পরগনা - ৩৪৬মালদা -৩৩১দক্ষিণ ২৪ পরগনা- ৩২৪নদিয়া - ৩১৬হুগলি - ২৯৩হাওড়া- ২৭৬পূর্ব বর্ধমান - ২৩৩পশ্চিম বর্ধমান -১৪০
'আমাদের পরিষ্কার নির্দেশ আছে, যা রোগ হবে সেটাই লিখতে হবে'
বিজেপি বিধায়ক ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন,'আমরা ডেঙ্গিকে ডেঙ্গিই বলব, অজানা জ্বর বলব না ।'স্বাস্থ্য অধিকর্তা স্বপন সোরেন বলেন,ডেঙ্গি প্রতিরোধের জন্য সমস্ত রকম বন্দোবস্ত করা আছে।প্রত্যেকটা গ্রাম স্তরেও সচেতনতা বার্তা দেওয়া হচ্ছে। একটা নির্দিষ্ট সময় অন্তর ইনভেস্টিগেশন হচ্ছে কিনা তার পুঙ্খানুপুঙ্খ দেখা হয় এবং তার সমস্ত রিপোর্ট আমাদের গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়াকে পাঠাই। এই যে মশা জন্মায় এটা হচ্ছে আমাদের প্রাকৃতিক এবং আমাদের ব্যবহারগত পরিবর্তনের জন্য।'মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'আমাদের পরিষ্কার নির্দেশ আছে, যা রোগ হবে সেটাই লিখতে হবে। আগের সরকার সংখ্যা কমাতো, রোগ লুকতো। লুকনোর কী আছে? যদি ডেঙ্গি থাকে, নিশ্চয়ই তার ব্যবস্থা হবে। চিকিৎসকদের ডেঙ্গি লিখতে গেলে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। ডেঙ্গি হলে ডেঙ্গিই লিখবেন। না হলে না-ই লিখবেন।'
