কলকাতা: ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmir Bhandar) পাশাপাশি তৃণমূল (TMC) সরকারের বড় চমক ছিল বাংলার যুব সাথীর (Bangla Yuva Sathi) ঘোষণা। এই প্রকল্পের আওতায় ২১ বছর থেকে ৪০ বছর বয়সী সকল যুবক-যুবতী প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে রাজ্য সরকারের থেকে পাবেন। এই প্রকল্প ঘোষণা করার পর ইতিমধ্যে লক্ষাদিক বেকার যুবক-যুবতী আবেদন করেছেন। অনেকেই ব্যাঙ্কের মাধ্যমে টাকা পেয়েছেন। যদিও অনেকেই এখনও টাকা পাননি এমনটাই জানিয়েছেন।   

Continues below advertisement

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার জানিয়েছেন যে, বাংলার যুব সাথী প্রকল্পের অধীনে টাকা দিতে দেরির কারণ হল একই আবেদনপত্র একাধিকবার জমা পড়া। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে এই সমস্যার শীঘ্রই সমাধান করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যারা আবেদন করেছেন কিন্তু টাকা পাননি, তাদের আবেদনপত্র নকল করা হয়েছে। সমস্যাটি সমাধানের জন্য তাদের পরে ডাকা হবে। সবাই এই টাকা পাবেন।' 

রাজ্য সরকার তার অন্তর্বর্তী বাজেটে যুব সাথী প্রকল্প ঘোষণা করেছিল। যদিও ১ এপ্রিল থেকে টাকা দেওয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু টাকা দেওয়া শুরু হয় ৭ মার্চ থেকে। এর পরে, যেসব আবেদনকারী অর্থ পাননি, তাদের কাছ থেকে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, এপ্রিলে যুব সাথীতে নতুন করে টাকা দেওয়া হচ্ছে? কারা কারা আগে পেতে পারে?

তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন, 'এটা হাত খরচের জন্য দেওয়া। আগামী দিনে তাদের কর্মসংস্থানেরও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। এমন অনেকে আছেন যাঁরা এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন কিন্তু টাকা এখনও পাননি। তাঁদের উদ্দেশে মমতা বলেন, ভোটের কারণে কাজকর্ম কিছুটা স্লথ গতিতে চলছে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। শীঘ্রই তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে'।

শোনা যাচ্ছে, যুব সাথী প্রকল্পের আওতায় প্রাপ্ত অর্থ এই মাসের ১০ এপ্রিল থেকে সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, যদিও এই খবরের সত্যতা নিয়ে সরকারি ভাবে কিছু জানা যায়নি। 

এছাড়া যাদের ফর্মে ভুল রয়েছে তারা এখনো টাকা পাননি। এবার এই টাকা পাওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান যারা এখনো টাকা পাননি, তাদের প্রসেস চলছে। কিছু সমস্যার কারণে টাকা পেতে দেরি হচ্ছে। ফর্মে সমস্যা রিভিউ করে ঠিক করা হচ্ছে। পাশাপাশি যারা এখনো পর্যন্ত টাকা পায়নি বা ফর্মে সমস্যা রয়েছে, তাদের আবার ফরম পূরণ করার ইচ্ছে যাতে সবাই টাকা পান এই বিষয়ে স্পষ্ট করে দেন।