দুর্গাপুর: একটা নয়, দুটো নয়, একসঙ্গে চার চারটে কঙ্কাল উদ্ধার জঙ্গল থেকে। দুর্গাপুরের কাঁকসার শিবপুরের গড় জঙ্গলে় ৪ জনের কঙ্কাল উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। ১ শিশু, ২ মহিলা ও ১ পুরুষের কঙ্কাল উদ্ধারে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের বুদবুদে এক পরিবারের ৪ জন আড়াই মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন। কঙ্কালগুলি তাঁদের, অনুমান পুলিশের। গতকাল এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক দল। আত্মহত্যা না খুনের ঘটনা, তদন্ত করে দেখছে কাঁকসা থানার পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরেই একই পরিবারের চারজন নিঁখোজ থাকায় পুলিশের প্রাথমিক অনুমান যে চারটে কঙ্কার একই পরিবারের হবে। তবে পুরো বিষয়ের তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

Continues below advertisement

এমনই ঘটনা ঘটেছিল গত মাসে সাঁকরাইলে। সেখানে বটতলায় এক ঝোপের মধ্য়ে থেকে উদ্ধার হয়েছিল এক বৃদ্ধার মৃতদেহ। কিন্তু সেই বৃদ্ধার দেব যেভাবে পড়েছিল, তাতে আঁতকে উঠেছিলেন অনেকেই। দেখা যায় দেহটির চারপাশে রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। মাথার খুলির বড় অংশ উধাও। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ওই বৃদ্ধার আত্মীয়-স্বজন। সেই বৃদ্ধার নাম জানা গিয়েছিল শান্তি মালিক। তাঁর বয়স ৬৫ বছর।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর নিয়ে জানা গিয়েছিল যে বৃদ্ধা যে বাগানে থাকতেন, সেখানে একটি খাটাল ছিল। চারটি গরু ছিল। তাদের লালন পালন করা থেকে শুরু করে সারাদিন সেখানেই সময় কাটাতেন মৃত বৃদ্ধা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে খাটাল থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে তাঁর মেয়ে জামাইরা থাকেন। প্রতিদিন শান্তি মালিক রাতের খাবারের জন্য মেয়ের বাড়িতে যেতেন। এরপর খাওয়া শেষে তিনি খাটালে ফিরে এসে একাই ঘুমোতেন। কিন্তু যেদিন বৃদ্ধার মৃতদেহ পাওয়া যায়, তার আগের রাতে মেয়ের বাড়িতে খেতে যাননি শান্তিদেবী। ঘটনার তদন্ত করছিল স্থানীয় পুলিশ।

Continues below advertisement

ওড়িশা থেকে একটি চাঞ্চল্যকর খবর এসেছিল কিছুদিন আগে। মাটি খুঁজে বোনের কঙ্কাল তুলে এনেছিলেন দাদা। সেই কঙ্কাল নিয়েই সোজা ব্যাঙ্কে চলে গিয়েছিলেন সেই ব্যক্তি। লক্ষ্য ছিল বোনের অ্য়াকাউন্ট থেকে টাকা তোলা। সেই অ্য়াকাউন্টে না কি ১৯৩০০ টাকা ছিল। যে টাকা তুলতেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন দাদা। ওড়িশার কেওনঝরে এমন অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছে। যে ব্যক্তি এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন, তাঁর নাম জিতু মুন্ডা। যিনি দিয়ানালির বাসিন্দা। তাঁর বোন কাঁকড়া মুন্ডা প্রয়াত হয়েছিলেন।