কলকাতা : এক সপতাহ আগে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী দিল্লি। আর এবার ধাক্কা পূর্বভারতের উপকূলে।  সাত সকালে কেঁপে উঠল মাটি। ঘড়িতে তখন ঠিক সকাল ৬ টা ১০। কম্পন টের পেল বাংলা ও ওড়িশার বিস্তীর্ণ এলাকা। রিখটার স্কেলে পরিমাপ ৫.১। National Center for Seismology র করা পোস্টে  উল্লেখ, ভূমিকম্পের উৎস স্থল বঙ্গোপসাগরের গভীরে।  ১৯.৫২ উত্তর অক্ষাংশ, ৮৮.৫৫ পূর্ব দ্রাঘিমাংস ও  ৯১ কিমি গভীরতায়।  কলকাতা, দমদম, ডায়মন্ড হারবার-সহ দুই ২৪ পরগনা, হলদিয়ায় কম্পন অনুভূত হয় । বঙ্গোপসাগরের গভীরে এই কম্পনের জের পড়ে ওড়িশা ও বাংলাদেশে। ভূমিকম্পের উৎস স্থালে রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫.১ । ভূমিকম্পের উৎসস্থল কলকাতা থেকে ৩৪০ কিমি দূরে বঙ্গোপসাগরে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯১ কিমি গভীরে। 

জানুয়ারিতেও কেঁপেছিল কলকাতা  এর আগে গত জানুয়ারিতেই কেঁপে উঠেছিল পশ্চিমবঙ্গ ও তার পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলি। নেপালের গোকর্ণেশ্বরের কাছে  লোবুচে থেকে ৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল। সেখানে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭ দশমিক ১। বিহারের মধুবনী জেলাতেও কম্পন অনুভূত হয়। এছাড়াও এই কম্পন অনুভূত হয় বাংলাদেশেও, চিন, ভুটানেও।    

দিল্লির ভূমিকম্পগত ১৭  ফেব্রুয়ারি  দিল্লি-NCR-এ ভূমিকম্প অনুভূত হয় । ভোর ৫.৩৬ মিনিটে কেঁপে ওঠে  রাজধানী। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল চার। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল দিল্লির ধৌলাকুঁয়া। কম্পনের উৎসস্থল ছিল মাটির ৫ কিলোমিটার গভীরে। এর জেরে কেঁপে ওঠে আগ্রা, আলওয়ার, মথুরা, মোরাদাবাদ, সাহারানপুর, বিহারের সিওয়ানে। আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে লোকজন। কম্পনের সঙ্গে জোরালো আওয়াজ শোনা গেছে বলে দাবি করেছিলেন বাসিন্দারা। সতর্ক থাকতে বলেন প্রধানমন্ত্রীও।