সুজিত মণ্ডল ও রাণা দাস: পূর্ব বর্ধমানের (East Burdwan) কাটোয়া আমোদপুর (Katwa-Amodpur) লাইনে শিবলুন স্টেশনের কাছে রেল অবরোধের জেরে দুর্ভোগ। আজ সকালে রেল অবরোধ (Rail Blockade) করেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের দাবি, ট্রেনের ভাড়া কমাতে হবে। ওই রুটে বাড়াতে হবে ট্রেনের সংখ্যা।  সকাল ৯টা থেকে ঘণ্টাখানেক চলে রেল অবরোধ। কাটোয়া থেকে জিআরপি (GRP) এবং আরপিএফ (RPF) কর্মীরা যান ঘটনাস্থলে। তাঁদের আশ্বাসে অবরোধ ওঠে।   

কোথাও ভাড়া (Fare)  কমানোর দাবি। তো কোথাও আবার দাবি পরিচ্ছন্নতার। বছরের শেষদিনে দুই জেলার দু’জায়গায় রেল অবরোধ করলেন যাত্রীরা। শুক্রবার সকালে কাটোয়া-আমোদপুর লাইনে শিবলুন (Shiblun) স্টেশনের কাছে ভাড়া কমানো ও ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে রেল অবরোধ করেন গ্রামবাসীরা। নেতৃত্বে ছিলেন কেতুগ্রামের (Ketugram) ব্লক তৃণমূল সভাপতি বিকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, গ্রামবাসীরা মিলে অবরোধ করেছে, রেল আশ্বাস দিয়েছে। প্রায় একঘণ্টা পর রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।

অন্যদিকে, নদিয়ার রানাঘাট স্টেশনে রানাঘাট-শিয়ালদা (Ranaghat-Sealdah) ডাউন ট্রেনে পরিচ্ছন্নতার দাবিতে রেল অবরোধ করেন যাত্রীরা। তাঁদের অভিযোগ, লালগোলা থেকে আসা ট্রেনটিই রানাঘাট-শিয়ালদা ডাউন লোকাল হিসেবে ছাড়ে। কিন্তু সেই ট্রেন (Train) এতটাই অপরিচ্ছন্ন যে প্রতিদিনের সফর দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “এতটাই অপরিচ্ছন্ন, যাতায়াত সমস্যা। কাল প্রতীকী প্রতিবাদ করি। আশ্বাস দিয়েও কিছু করেনি রেল। অসুবিধায় পড়ছি রোজ। ’’ রেল অবরোধের জেরে দাঁড়িয়ে পড়ে একাধিক আপ ও ডাউন ট্রেন। ভোগান্তির মুখে পড়েন যাত্রীরা। এক যাত্রী বলেন, “অবরোধের জন্য সমস্যায়। বছরের শেষদিন অফিস যাওয়াটা খুব জরুরি, অনেকেই সমস্যায়।’’শেষমেশ রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে ৩ ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা।

অন্যদিকে, পুরভোটের জল্পনার মধ্যে বীরভূমের হাটজনবাজারে রেলওভারব্রিজ তৈরির কাজ কতটা এগোল, খতিয়ে দেখলেন স্থানীয় সাংসদ শতাব্দী রায়। রেলের তরফে যাতে দ্রুত কাজ শেষ করা হয়, সেই আর্জি জানান তিনি। সাংসদের সফর ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।